আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা।
বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ঢাকা সহ গোটা দেশ স্তব্ধ করার ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই কর্মসূচি যেমন তাদের কাছে লিটমাস্ট পরীক্ষা, লিটমাস্ট পরীক্ষা সরকারেরও। আওয়ামী লীগ যে সর্বশক্তি বৃহস্পতিবার মাঠে নামবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। অপর দিকে সরকারও চাইবে সর্বশক্তি দিয়ে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে প্রতিহত করবে। একই দিনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ক্ষমতাচ্যূত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষণা করবে সাজা ঘোষণার দিন।
সব থেকে চিন্তা বেশি ইউনূসের। ডিপ স্টেট তাঁর পাশে নেই। তারা বুঝে গিয়েছে চিন-ভারত-রাশিয়া যেখানে একজোট হয়েছে, সেখানে আর কিছু করা যাবে না। তাই, ডিপস্টেট লোটাকম্বল গুটিয়ে সটকে পড়েছে। যে সেনাবাহিনী একসময় তাঁর পাশে ছিল, যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউনূসের সম্পর্ক ছিল একেবারে হরিহর আত্মা, তারাও পাশে নেই। বাহিনী জানিয়ে দিয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের তারা আর গ্রেফতার করবে না। উলটে বলেছে, বাংলাদেশের ভোটে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশে নেই পুলিশ। তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে আওয়ামী লীগের চারদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রথম দিন। সব মিলিয়ে রক্তচাপ বেড়ে গিয়েছে ইউনূসের। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিয়েছেন এই ইউনূস। তাঁর সেফ এগজিটের বিষয়টি নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ফলে, ইউনূসের জীবনমন্ত্র হয়ে উঠেছে এই গান- ‘আমার যাবার সময় হল দাও বিদায়।’
কিন্তু বিদায়ের আগে বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে এমন একটা পর্যায়ে তিনি নিয়ে যেতে চাইছেন, যে পরিস্থিতি কার্যত গৃহযুদ্ধের সামিল। সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের একটি গণমাধ্যম থেকে দাবি করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের কর্মসূচি কার্যকরের দিন জঙ্গি হামলা হতে পারে। আমরা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছি যে আইএসআইয়ের মদতে সীমান্তে গজিয়ে উঠেছে জঙ্গি শিবির। সেখানে চলছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ এবং জিহাদি কার্যকলাপ। দায়িত্বে রয়েছে লস্কর-ই-তৈইবা এবং জইশ।
সূত্রের খবর, জামাত এবং বিএনপি মতাদর্শী মিলিশিয়া বাহিনী বৃহস্পতিবার রাস্তায় নামতে চলেছে। রাস্তায় নামবে সীমান্তে আইএসআই প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা। বাহিনী সেই সব সদস্য যারা আওয়ামী বিরোধী। তাদের সমবেত উদ্দেশ্য একটাই নির্বিবাদে ধ্বংসলীলা চালিয়ে আওয়ামী লীগকে কাঠগড়ায় তোলা। পরে আন্তর্জাতিক মহলকে সেই সব খণ্ডচিত্রের নমুনা দেখিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করবে যে তারা যে দলটিকে ঢালাও সার্টিফিকেট দিয়ে বলেছিল আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সেই দল বাংলাদেশে কী কাণ্ডটাই করেছে। একাধিক সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, এই সমবেত শক্তি বেছে বেছে সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাবে। হামলা চালাবে বেসমারিক এলাকা যেমন হাসপাতাল, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বৃদ্ধাশ্রম, স্কুল-কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এমনকী মাদ্রাসাতেও। । টার্গেট করা হবে সংখ্যালঘুদের প্রার্থনা কেন্দ্র। সূত্রের খবর এই অপশক্তির মাথারা যমুনায় বেশ কয়েকবার বৈঠক করে। বৈঠক হয়েছে পুলিশের সদর দফতরে।
সূত্রটি বলছে, বিএনপির দক্ষিণ যুবদলের মাথায় নয়নকে এই বিষয়ে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনের সময় এই নয়নকে দেখা গিয়েছিল প্রেস লেখা জ্যাকেট পরে বাসে আগুন লাগাতে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আবারও পথে দেখা যাবে বলে ওই গণমাধ্যম থেকে দাবি করা হয়েছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post