ভারত তার পড়শি দেশের মত ফাঁকা আওয়াজ দেয় না। অথবা নিজেদের ম্যাপে অন্য দেশের অংশকে ঢুকিয়ে নিয়ে, প্রচার করে না। এই ধরণের মিথ্যের স্বর্গে বাস করে, শান্তিও পায় না। যেমন পান বাংলাদেশের দখলদার মহম্মদ ইউনূস। ভারত এটাও বলে না যে, আমরা এই দেশ বা ঐ দেশ জোর করে দখল করে নেব। তবে যুদ্ধে হেরে যাওয়ার পরও যদি পাকিস্তানের মত দেশ অন্য দেশের সমরাস্ত্রের পরাজয় ঢাকতে, তাদের কথায় নিজেদের জয়ী বলে দাবী করে। তাদের জন্য অবশ্যই বলতে হয়, শুধু যুদ্ধে জিতলেই আর হবে না, জয়ের নিশান হিসাবে তাদের ভূমিতে দখল নিতে হবে। অন্তত কিছু দিনের জন্য তো তাই করা উচিৎ। আর এই বক্তব্য যখন ভারতীয় সেনার সর্বোচ্চ স্তর থেকে আসে, তখন তাকে সব ভারতীয়দের মনের কথা বলেই মনে হয়।। ভারত কখনই বিস্তার বাদের পক্ষ্যে নয়, তা যদি হত তাহলে ভারতের নতুন পার্লামেন্টে যে অখন্ড ভারতের ম্যাপ আছে, ভারত সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেত। তাছাড়া ১৯৭১এ যুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীনতা দেওয়ার আগে, ভারত চাইলে মানচিত্রকে কিছুটা বাড়িয়ে নিতে পারত। যদিও বহু ভারতবাসীই মনে করেন, তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর উচিৎ ছিল উদারতা না দেখিয়ে, নিজের দেশের সৈন্যের রক্তের বিনিময়ে চিকেন নেক আর পাকিস্তান অকুপায় কাশ্মিরের ভূগোল বদলে নেওয়া । তাহলে আজ ইউনূস বাহীনির দু-টাকার ছেলে ছকরা রা সেভেন সিস্টার, চিকেন নেক, এই কথা মুখেই আনতে পারত না। তবে এবার সেই শুভক্ষন হয়তো খুব কাছে।কেন এই কথা বলছি তার কারণ টা জেনে নিই।। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খুব বেশী কথা বলেন না। আর যা বলেন তা কিছু দিনের মধ্যে কঠোর বাস্তবে পরিনত হয়। তিনি সিন্ধকে ভারতের সংস্কৃতির অঙ্গ মনে করেন। সিন্ধ ছাড়া ভারতের ইতিহাস অপূর্ণ। সিন্ধ বাসীও চাইছে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে, আর সেই মনোভাব বুঝেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই বয়ান। ভারত কোন দিনই চায়নি যে রাশিয়া ইজরায়েলের মত, বড় কোন যুদ্ধে জড়িয়ে না যেতে। আজও চায় না। কিন্তু যুদ্ধে না জড়িয়েও যদি যু্দ্ধের থেকে বেশী ফল লাভ করা যায়, মানে অপেক্ষা করলেই যদি পাকা পেপে, পাকা আম কুড়িয়ে পাওয়া যায়, তাহলে একটু অপেক্ষা করলে ক্ষতি কি। মানে এমন কিছু করা যাতে সাপও মরে আর লাঠিও না ভাঙে। অর্থাৎ ভারতের অগ্রগতি না থামে। আবার পিওকেটা পাকা পেপের মত যদি টুপ করে পড়ে যায়, তো সেটা আমরা কুড়িয়ে খেয়ে নেব। আর খাইবার পাখতুন অথবা বালুচিস্তানে যদি আগুন লাগে তাহলে আমরা ঘিও না ঢাললেও, দমকল পাঠাবো না। আফগানিস্তান যদি পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে তাহলে আমরা অন্য দিকে তাকিয়ে থাকব। সিন্ধ ভারতকে বলছে আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে আপনাদের সীমানা মিলিয়ে দেন, তাহলে ঐদিকে বালুচিস্তানও আপনাদের হয়ে যাবে। মানে কোন একদিকে মিলাতে পারলেই বদলে যাবে ভারতের মানচিত্র।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post