সাম্প্রতিক যা পরিস্থিতি, তাতে অনেকে বলছেন, যুদ্ধ হবেই। হয় পাকিস্তান, না হয় বাংলাদেশে! অর্থাৎ ভারতের টার্গেটে শুধু মাত্র পাকিস্তান নেই, রয়েছে বাংলাদেশও। কারণ সরকারের তরফে একটি ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ইন্ডিয়া ওয়ার জোনের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, সাম্বাতে ২ মাস ধরে রাতে কারফিউ জারি। এবং বিএসএফকে সাধারন মানুষ যাতে সাহায্য করে তেমন অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষের আগে ঠিক একইভাবে এরকম বিবৃতি জারি করা হয়েছিল। তবে কি ফের যুদ্ধের ইঙ্গিত?
এমনিতেই ভারত সরকারের তরফ থেকে একটি যুদ্ধ ঘোষণা করাই আছে। যদি সন্ত্রাসবাদ চালানো হয়, এবং সেটা ভারতের দিকে ইঙ্গিত করে, তাহলে যুদ্ধ হবে। কাউকে কিছু না জানিয়েই যুদ্ধ করবে ভারত। এদিকে আসিম মুনীর বলেছিলেন, আমরা একটি পরমাণু শক্তিধর দেশ। যদি আমাদের দেশ ডোবে তবে পৃথিবীর অর্ধেক নিয়ে ডুববো। শুধু তাই নয়, সিন্ধু চুক্তি নিয়ে ভারতকে যুদ্ধের হুমকি বিলাওয়ালের। তিনি বলেন, ভারত যদি সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি অব্যাহতভাবে বন্ধ করে রাখে, তাহলে যুদ্ধে যাওয়া ছাড়া পাকিস্তানের সামনে কোনও বিকল্প থাকবে না। এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তানের পিপল পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি।
এখানেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিন্ধু জলচুক্তি তো বন্ধ করে দিয়েছে। তাহলে কেন কিছু করতে পারছে না পাকিস্তান? আসলে পাকিস্তানের উপর একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে ভারত সরকার। আদতে কিছু করতে পারেনি পাকিস্তান।
অন্যদিকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র সম্প্রতি বলেছিলেন, পাকিস্তান চুপ করে বসে থাকবে না,। ভারতের উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আক্রমণ করবে। অর্থাৎ তারা বাংলাদেশের দিকে ইঙ্গিত করছে সেটা স্পষ্ট। অর্থাৎ বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তারা আক্রমণ করবে ভারতকে। এমনই পরিকল্পনা করছে। কিন্তু ভারত একদম তৈরি। অপারেশন সিঁদুর তো বন্ধ হয়নি, সেটা আগেই জন্যও হয়েছিল। এবার ভারত শুধু পাকিস্তানের দিকে নয়, কেউ কেউ বলছেন, ভারতের পূর্ব সীমান্তেও আক্রমণ করতে পারে ভারতের সেনাবাহিনী। অর্থাৎ এবার টার্গেটের শুধু পাকিস্তান নয়। ভারতের টার্গেটে রয়েছে বাংলাদেশও। এখন দেখার, শেষমেষ কি হয়।












Discussion about this post