কথায় আছে হাতে মারতে না পেরে ভাতে মারার কল।
বাংলাদেশের তদারকি সরকার এবার সেই পথে হাটতে চলেছে। হাসিনাকে একটি অবৈধ আদালতের কাঠগড়ায় তুলে তাঁকে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। একই সাজা দেওয়া হয়েছে তাঁর আমলের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে। হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার তরফ থেকে দিল্লিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে সাউথব্লক জানিয়েছে, চিঠি তারা খতিয়ে দেখছে। আসাদুজ্জামান খান কামালও ভারতে রয়েছে বলে দিল্লির অনুমান। আর হাসিনাতো দিল্লি থেকেই বাংলাদেশের একটি অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার বোমা ফাটিয়ে চলেছেন। এই অবস্থায় বাংলাদেশের একটি আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং ভাগ্নি তথা ব্রিটেনের প্রাক্তন এমপি টিউলিপ সিদ্দিকি সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে জমি দুর্নীতি মামলা দায়ের করেছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিবাউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামীপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষের পর জানান, এই মামলার রায় ঘোষণা হবে আগামী ১ ডিসেম্বর।
মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্রে অভিযোগ ওঠে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে শেখ রেহানাকে প্লট বরাদ্দ দেন শেখ হাসিনা। সাক্ষীদের জবানবন্দিতে আরও উঠে এসেছে যে মায়ের নামে প্লট দাবিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপ তৈরি করেন টিউলিপ সিদ্দিক। যদিও তিনি নিজে এই প্লট নেননি। তবে এই মামলার অন্যতম আসামী তিনি। এই মামলার একমাত্র গ্রেফতার আসামী রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেল নির্দোষ। তিনি শুধুমাত্র সরকারের আজ্ঞাবহ দাস। তাই সরকার থেকে তাঁকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তিনি সেই নির্দেশ পালন করেছেন মাত্র।
দুর্নীতি দমন আদালতের আইনজীবীরা জানান, উপস্থাপিত প্রমাণ অনুযায়ী মূল আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তদারকি সরকারের প্রধান থেকে শুরু করে তাঁর সঙ্গীসাথিরা আগামী ১ ডিসেম্বরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। রায় তাঁদের স্বপক্ষে গেলে হয়তো তাঁরা দুহাত তুলে নাচবে। প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। এই সব মামলায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, তাঁর মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ অন্যদের আসামি করা হয়। অভিযোগ ওঠার পরে পরে টিউলিপ সাংসদ পদে ইস্তফা দেন।
এখন প্রশ্ন হল, টিউলিপের হয়ে বাংলাদেশের তদারকি সরকারকে কে চিঠি পাঠালেন, যে চিঠি পেয়ে ইউনূস তো বটেই, তার নবরত্ন সভার সদস্যরা রীতিমতো আতঙ্কে ভুগছেন ? চিঠিতে সই রয়েছে ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী তথা ব্যারিস্টার চেরি ব্লেয়ার, টোরি ক্যাবিনেটের প্রাক্তন বিচারসচিব স্যর রবার্ট বাকল্যান্ড এবং ব্রিটেনের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল ডমিনিক গ্রেভ। এদের ক্ষমতা কতটা সেটা ইউনূস তো জানেন, তাঁর নবরত্ন সভার সদস্যরাও জানেন। বা না জানলেও ইতিমধ্যে হয়তো জেনে গিয়েছেন। সে চিঠি ইতিমধ্যে ব্রিটেনের বাংলাদেশ হাইকমিশনের দফতরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। চিঠি পড়ে হাইকমিশনের কর্তারা বুঝতে পেরে গিয়েছেন যে বাংলাদেশ সরকার কী ভুল পদক্ষেপ করেছে। চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ টিউলিপকে দেওয়া হয়নি। বিচার হয়েছে একতরফা। এটা বিচারের নামে প্রহসন মাত্র।
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post