ভোট নিয়ে দলগুলি যতই বলুক যে নির্বাচন কখন হবে না হবে, এবং কিভাবে হবে তা নিয়ে সেনাপ্রধানের মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। এটি রাজনীতির বিষয় এবং যারা রাজনীতি করেন তারাই ঠিক করবেন। কিন্তু বাংলাদেশে ৫ই আগষ্টের ঘটনাক্রম দেখলে বোঝা যায় যে সরকার পতনের পর দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেনাবাহীনী প্রধান হিসাবে সেনাপ্রধান। দেশের দায়িত্বের সঙ্গে দেশের জনগনের জানও মালের দায়িত্বও নিয়েছিলেন সেনাপ্রধান। আর সেনাপ্রধানের থেকে অভয় বানী পেয়ে দেশের সাধারণ মানুষ বিশৃঙ্খলা থেকে নিজেদের বিরত রেখেছিলেন, যদিও তাতে দেশের সামগ্রিক অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি। এবং সেনাও দেশের একটি বিশেষ সংগঠনের দ্বারা সংঘঠিত করা মব ভায়োলেন্স পুলিশ হত্যা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার এবং একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের উপর সরকারী আঘাত কিছুই আটকাতে পারেন নি বলেই অনেকের মত। যদিও দেশের অবস্থা মন্দের ভালো যতটুকু আছে তা সেনাবাহীনির জন্যই বলে মনে করেন অনেকে। সেনাপ্রধান বহুবার ভোট কথন হওয়া উচিৎ বা কখন হবে তাই নিয়ে মন্তব্য করায় তদারকী সরকারের কু-নজরেও পড়েছেন।এমনকি তাকে সরিয়ে দেওয়ার নানা পরিকল্পনাও হয়েছে। তবুও সেনাপ্রধান দেশের মানুষ কি চাইছেন সেই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে রাজ নৈতিক দলগুলিকে অনুরোধ করেছেন।। বেশ কিছুদিন সেনাপ্রধানকে নিয়ে তেমন কোন খবর সামনে না আসলেও গত রবিবার সকালে নৌবাহীনির রাষ্ট্রপতি কুচকাআওয়াজ অনুষ্ঠানে রষ্ট্রপতি উপস্থিত না থাকলেও প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি বেশ কিছুক্ষন বক্তিতাও দেন। যেহেতু এটি একটি অন্য বাহীনির অনুষ্ঠানে তিনি অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে তরুন সেনাসদস্যের উদ্দশ্যে ভাষন দেন, তাই সেখানে রাজনৈতিক বক্তব্য না থাকলেও, ঘুরিয়ে ইউনূস বাহীনিকে বার্তা দেন সেনাপ্রধান। তিনি দেশের সার্বোভৌমত্ব রক্ষায় নবীন সেনাকর্মকর্তাদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান।। আর বর্তমান বাংলাদেশে তদারকী সরকার ছাড়া আর সব দলই এমনকি ছাত্রদের নতুন দল এনসিপিও করিডর এবং বন্দর ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান করেছেন। এবং অন্যান্য দলগুলি ইউনূস সরকারে করিডর এবং বন্দর নিয়ে সরকারি সিদ্ধন্তকে সরাসরি দেশের সার্বোভৌমত্বের হামলা বলে অভিহিত করেছেন। বর্তমান সেনাবাহীনির বিরোধিতায় এই সিদ্ধান্তগুলি কিছুটা ধামাচাপা পড়লেও আগামী দিনেও সরকার এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে যেন এই তরুন সেনাঅফিসারা যেন তার বিরোধীতা করেন তারই বার্তা দিয়েছেন সেনাপ্রধান
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post