ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোন দিন কোন যুদ্ধ হবে না, এই কথা কেউ জোর দিয়ে বলতে পারবে না। আর সেই যুদ্ধের জন্য দায়ী থাকবে বাংলাদেশের ভুল সরকারের ভুল কূটনীতি। ভারত যুদ্ধ চাইছে না বলেই, চাইছে বাংলাদেশে দ্রুত নির্বাচন।যে নির্বাচন সারা বিশ্ব মেনে নেবে। অন্য দিকে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার চাইছে,যে কোন ভাবে ভোট বাঞ্চাল করে অস্থিরতা বজায় রাখতে । ভারত চাইছে জনগনের দ্বারা নির্বাচিত সরকার, যারা দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হবে। যাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক সুদৃড় করা যায়। আর বাংলাদেশ নানা কৌশলে চাইছে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ, অনেকেই বলবেন এটি কি ইউনূস সাহেবের ইচ্ছে। এতে তার কি লাভ? ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে ইউনূস সাহেবের কোন লাভ নেই। কিন্তু ইউনূস সাহেবের প্রভূদের অনেক লাভ আছে। তারা ভারতকে অস্থির করতে চায়, ভারতের অর্থনীতিকে দূর্বল করতে চায়। তারা তাদের ইশারায় ভারতকে চলতে বাধ্য করতে চায়।তারাবাংলাদেশকে সামনে রেখে পিছন থেকে তাদের ইচ্ছা পূরণ করতে চাইছে। অর্থাৎ এই বৃহৎ এশিয়াতে বাংলাদেশের এক ভূল সিদ্ধান্ত এবং কূটনৈতিক দেউলিয়াপনা, গোটা এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেই বদলে দিতে পারে। যে পথে পাকিস্তান সর্বশান্ত হয়েছে, ধ্বংস হয়েছে, সেই পথেই যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বলছে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হবে না। কিন্তু ইতিহাস বলছে পাকিস্তান, চীন এবং আমেরিকার সঙ্গে ভারসাম্যের খেলা খেলতে গিয়ে, দুই দেশেরই বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়েছে। যদিও পাকিস্তানের একটি প্লাস পয়েন্ট হল, তাদের কাছে পরমাণু বোমা আছে। আর আমেরিকার চিন্তা সেই বোমা আইসিসের মাধ্যমে আমেরিকার দিকেই না উড়ে যায়। তাই তারা পাকিস্তানকে আদর যত্ন করতে বাধ্য হচ্ছে। কারণ আমেরিকার ভয় হল পাকিস্তান যে রকম আর্থিক দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে, কোন দিন না পরমাণু বোমা আইসিসকে বিক্রি করে দেয়। আর আইসিসের হাতে পরমাণু বোমা চিনের থেকে অনেক বেশী থ্রেট আমেরিকার জন্য। এখন সেই ব্যর্থ রাষ্ট্র পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের অতিরিক্ত মাখামাখি ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে বহুগুন। বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার থাকলে ভারতের যে সুবিধা হত, দখলদার সরকার থাকায় ভারত বিশ্বাস করতে পারছে না যে, ভবিষ্যতে যুদ্ধ হবে না। আর সেই পরিস্থিতি যাতে না আসে, তার জন্যই ভারত চাইছে দ্রুত নির্বাচন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ হল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জাহাজ পিএনএস সাইফ। চার দিনের শুভেচ্ছা সফরে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জাহাজ পিএনএস সাইফ। শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছালে চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের পক্ষ থেকে চিফ স্টাফ অফিসার জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান। এ সময় নৌবাহিনীর সুসজ্জিত বাদক দল ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী ব্যান্ড পরিবেশন করে।জাহাজটিকে স্বাগত জানাতে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিসহ নৌবাহিনীর স্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থাৎ সামনে থেকে দেখানো হচ্ছে শুভেচ্ছা সফর। আর ঐ জাহাজে করে আসছে যুদ্ধের সাজ সরানঞ্জাম। ৫ই আগস্টের পর পাকিস্তান আর আমেরিকা থেকেই শুধু সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাকর্তারা বলছেন যে ভারত যদি পাকিস্তান আক্রমন করে,তবে বাংলাদেশের উচিৎ ভারতের সেভেন সিস্টার দখল করে নেওয়া। এবং সেই সঙ্গে চিনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া। আর এই সবের পর ভারতের উদ্বেগ বাড়াটা স্বাভাবিক। তাই ভারতও বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁসে তিনটি নতুন সামরিক ঘাঁটি তৈরী করেছে।












Discussion about this post