ফের কি যুদ্ধ হতে চলেছে? কারণ যে হুংকার ভারতীয় সেনাপ্রধানের তরফে এল তাতে এই প্রশ্নটাই উঠছে। গত ৪ আগস্ট আইআইটি মাদ্রাজে এক বক্তব্যে সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদি জানান, যুদ্ধ শিগগিরই হতে পারে। সেই অনুযায়ী আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। এবার এই লড়াই আমাদের সবাইকে মিলে একসঙ্গে লড়তে হবে। অর্থাৎ দেশবাসীকে যুদ্ধের জন্য তৈরি হতে বললেন।
তবে কি যুদ্ধ আসন্ন? ভারতের টার্গেটে বাংলাদেশ পাকিস্তান? নাকি শুধু পাকিস্তান? তবে সেনাপ্রধানের হুংকার জব্দ হবে ইউনূস। বলছে বিশেষজ্ঞরা।
এমনকি তাকে বলতে শোনা যায়, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা সদস্য, বিজ্ঞানী, শিল্পখাত, শিক্ষাঙ্গন ও নাগরিক—সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করেই তিনি সতর্ক করেন, আগামী সংঘাতে শত্রুপক্ষ হয়তো একা নয়, বরং অন্য কোনো দেশের সহায়তাও পেতে পারে। ঠিক কি বলেছেন সেনাপ্রধান শুনুন
এমনকি জেনারেল দ্বিবেদী ‘অপারেশন সিঁদুর’এর উদাহরণ টেনে বলেন, এটি ছিল অনেকটা দাবা খেলার মতো, যেখানে শত্রুপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ অনুমান করা কঠিন ছিল। ক্রিকেটের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যদিও টেস্ট ম্যাচ চতুর্থ দিনে থেমে গিয়েছিল, তবে সংঘাত আরও অনেক দিন চলতে পারত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি আমেরিকার মাটিতে বসে হুঙ্কার দেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তানের কিছু হলে অর্ধেক দুনিয়া সঙ্গে নিয়ে যাবে ইসলামাবাদ। এবার তারই পাল্টা ভারতের সেনাপ্রধান হুংকার দিলেন বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।
এখন ভূ রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভালো করে দেখলে বোঝা যায়, আমেরিকা পাকিস্তান কে নিজেদের দলে নিয়েছে। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিতে ভারত চীন এবং রাশিয়া একত্রিত হয়েছে। ফলে আমেরিকার ছত্রছায়ায় রয়েছে পাকিস্তান এবং তার দোসর বাংলাদেশ। আর সেই কারণেই নাম না করেই ভারতের সেনাপ্রধান বললেন, শত্রুপক্ষ অন্য দেশের সাহায্য পেতে পারে। অর্থাৎ তিনি যে পাকিস্তানকে আমেরিকার সাহায্যের কথা বললেন, সেটা বুঝতে অসুবিধা হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহল বলছে, পাকিস্তান ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকালে, পাল্টা জবাব কিভাবে ভারত দেয়, সেটা বুঝিয়ে দেবে। এমনকি বুঝিয়ে দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান।












Discussion about this post