ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে তাণ্ডব। যে কাণ্ড ঘটল, সেটা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। ইতিমধ্যেই স্বাধীনতা দিবসের আগে বাংলা সহ ভারতের সেভেন সিস্টার্সে হাই এলাট জারি করেছে ভারত সরকার। এরমধ্যে সামনে এল এই খবর। যেখানে এক ব্যক্তি বিস্ফোরক একটি মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশ অনুপ্রবেশকারীদের আটক করেছে বিএসএফ। কেউ কেউ বলছেন, যেভাবে দিনের দিন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটনা ঘটছে, তাতে কি ভারত বাংলাদেশের উপর কড়া কোনও ব্যবস্থা নেবে? যে ইঙ্গিত যুদ্ধের বার্তা বহন করে।
অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম এ মারাক। তার দাবি, তার দোকান বাংলাদেশ সীমান্তের অত্যন্ত কাছে। সেই দোকান বন্ধ করে রাতে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন। এরপর ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসেন। এবং এ মারাক নামে ওই ব্যক্তিকে হাত করা বেঁধে দেন। এবং তাকে দলবদ্ধভাবে বাংলাদেশের টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। তবে তিনি কোনও রকমে পরাস্ত করে পালিয়ে আসেন। এরপরে তিনি বিএসএফের কাছে পুরো ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে জানিয়ে দেন। বিএসএফ জরুরী কালীন পরিস্থিতিতে একটি অপারেশন লঞ্চ করে। বিএসএফের সদস্যরা ওই ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তিকে ঘিরে ফেলে এবং তিনজন বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করে বিএসএফ। জানা যায়, তাদের মধ্যে দুজনের হাতে অত্যন্ত ধারালো অস্ত্র এবং বন্দুক ছিল বলে অভিযোগ। বিএসএফ ধরতে গেলে তাদের দিকে বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়। এরপরই এর পরই গ্রামবাসীরা ছুটে আসে ঘটনাস্থলে।
সূত্রের খবর, আটক ব্যক্তিদের থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা এবং বাংলাদেশ পুলিশের আইডেন্টিটি কার্ড পাওয়া যায়। এমনকি ওই ব্যক্তি স্বীকার করে নেন, তিনি বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ছিলেন। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ করে বাংলাদেশের বলে কেন ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে? তবে কি ভারতে নাশকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা? কেনই বা ওই ব্যক্তিকে অপহরণের চেষ্টা করল?
তবে এই ঘটনাকে সাধারণ ঘটনা বলতে নারাজ বিএসএফ।
আটক ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তারা হলেন, জামালপুরের জাহাঙ্গির আলম, নারায়ণগঞ্জের সায়েম হোসেন, কুমিল্লার মেহফুজ রহমান। নিজেকে পুলিশ বলে দাবি করেছেন মারফুর রহমান, তিনিও জামালপুরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
বাংলাদেশের প্রশাসন বা বিজিবিকে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়েছে কিনা, তা বিএসএফ-এর তরফে জানানো হয়নি। তবে খোলা সীমান্ত দিয়ে যে পাচার বেড়েছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন। এর পাশাপাশি,
অভিযোগকারী ব্যক্তিদের সঙ্গে আটককারি ব্যক্তিদের পূর্ব পরিচয় আছে কিনা, খতিয়ে দেখতে প্রশাসন।












Discussion about this post