দেশজুড়ে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এরমধ্যেই ৪১টি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। এরমধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক, মাল্টিভিটামিনের মতো ওষুধ। রয়েছে, সাধারণ মানুষের নিত্য প্রোয়োজনীয় ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, লিভার, অ্যালার্জি, সুগার, ছোঁয়াচে রোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধও। পাশাপাশি দাম কমবে বেশ কয়েকটি পেন কিলার ওষুধের। ফলে বড় স্বস্তি মিলবে মধ্যবিত্ত সমাজের।
সম্প্রতি জাতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ) তাঁদের ১৪৩তম সভায় ৪১টি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম কমানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে ৪১টি ওষুধ এবং ৬টি ফর্মুলার মূল্য বেঁধে দেওয়া হয়। দেশের সমস্ত ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে এও জানানো হয়েছে যে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সমস্ত ওষুধ ডিলারদের পাঠাতো হবে। ফলে খুব শীঘ্রই এই ওষুধগুলির দাম কমবে বলেই জানিয়েছেন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি।
এনপিপিএ আরও জানিয়েছে, ওষুধের দামের ওপর জিএসটি নিয়েও কড়া নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ওষুধ কোম্পানি ওষুধের দামের উপর জিএসটি তখনই নিতে পারবে যখন তাঁরা জিএসটি সম্পূর্ণ পরিশোধ করেছে। না হলে এবার থেকে তাঁরা ক্রেতাদের থেকে কোনও জিএসটি নিতে পারবে না। ফলে ওষুধের জিএসটি নেওয়া নিয়ে দুর্ণীতি রোধ করা যাবে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই প্রায় ৮০০ ওষুধের দাম বাড়িয়েছিল। যা নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। কারণ ওই ওষুধের মধ্যে সুগার, রক্তচাপ, পেন কিলারের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধও ছিল। ওই সমস্ত ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মধ্যবিত্ত এবং দরিদ্র মানুষদের চরম সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। এবার মাত্র ৪১টি ওষুধের দাম কমানোয় যে খুব একটা সুবিধা হবে এ কথা বলা যায় না।
বাংলাদেশের ভবিষ্যত কি, ঠিক করবে ভারতই। আপনাদের মনে আছে নিশ্চই গত জানুয়ারি মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার পরই...
Read more












Discussion about this post