ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও ইউটিউবাররা বলছেন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ একটি সেনা অভ্যুত্থান ঘটে গিয়েছে। সর্বশেষ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জ্জামান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে সরকারি সফরে গিয়েছিলেন। তার এই সফরের আগেও পরে বিভিন্ন গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। তার ফেরার বিষয় নিয়ে, তাকে দেশে ফেরার আগে বন্দী করা হবে, তিনি শাহজালাল বিমানবন্দরে না নেমে কেন তেজগাঁও বিমানবন্দরে নেমেছেন? এখনও পর্যন্ত এই বিষয়গুলি নিয়ে নানা রকম চর্চা চলছে। তবে কি সবটাই সত্য নাকি গুজব?
উঠে এসেছিল ১৯৯৯ এর প্রসঙ্গ যখন পাকিস্তানে পারভেজ মোশারফকে বিমানবন্দরে নামতে দেওয়া হয়েছিল না এবং পারভেজ মোশারফ এর ক্ষমতা দখল যার ফলেই সেই সময় সেনা অভ্যুত্থান। এ ধরনের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের সঙ্গে মিল খোজা হচ্ছিল বর্তমান বাংলাদেশের সেনা প্রধানের পরিস্থিতি।
শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এক সেনা আধিকারিক এই সেনা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করছেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি টের পেতেই ওই সেনা আধিকারিককে নজরবন্দি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওয়াকারকে সরাতে সেনার শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠকও করেন ফয়জুর। সেই বৈঠকের ব বিষয়ে অবগত নন ওয়াকার । কিন্তু ওই বৈঠকে যথেষ্ট সমর্থন জোগাড় করতে পারেননি ফয়জুর। আর তাতেই চক্রান্তের পর্দাফাঁস হয়ে যায়। বর্তমানে গোয়েন্দা সংস্থা DGFI এর নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে ফয়জুর রহমানকে।
কিন্তু আসলেই এই ঘটনাগুলোর কোন সত্যতা আছে?
জানা যাচ্ছে যথা নিয়মেই তিন দিনের সরকারি সফর সেরে সেনাপ্রধান দেশে ফিরেছেন। আপনি সফরসূচির সমস্ত কাজ সম্পন্ন করেই গত 6 মার্চ রাতের দিকে শাহজালাল বিমানবন্দর হয়ে যথা নিয়মেই বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। তার দেশে ফেরার বিষয়ে কোনো রকম জটিলতার সৃষ্টি হয়নি।
এমনকি অনেকেই জানাচ্ছেন যে তিনি ৭ ই মার্চ দেশে ফিরেছেন সেই তথ্যও ভুল। হিজবুত তাহরীর মিছিলের দিন অর্থাৎ 6 মার্চ সন্ধ্যার পরদেশে পা রেখেছেন সেনাপ্রধান আর এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছে আইএসপিআরও।
এই ঘটনাটি নিয়ে সেনা অভ্যুত্থান হয়েছে। এই ধরনের কোন ঘটনার অস্তিত্ব দেখতে পাচ্ছে না বাংলাদেশের নাগরিক ও। লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়সুর রহমানের প্রসঙ্গ উঠে আসছে এক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে ফয়জুর রহমানের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু তথ্য প্রমান বলছে এই ঘটনাটিও সম্পূর্ণ গুজব। কাজেই এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থান বা এই ধরনের কোন ঘটনার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।












Discussion about this post