বাংলাদেশ কি এইবার সেনা শাসনে চলে যাবে? সেনাপ্রধানের বক্তব্যে উঠে আসছে এই প্রশ্নটাই। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বাংলাদেশে পরপর দুটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছেন। সেখানে তিনি পদ্মাপাড়ের পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি তিনি তদারকি সরকারকে হুশিয়ারি দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ঠিক কি বলেছেন সেনাপ্রধান শুনুন….
দেশে সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে। তারজন্য আমাদের নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করে লাভ নেই। তাতে অপরাধীরা সুযোগ পেয়ে যাবে। বাংলাদেশকে আরও বিপদের মুখে ঠেলে দেবে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান ভয় পাচ্ছেন। গোটা দেশ টা না জঙ্গিদের হতে চলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আসলে ইউনুস যে গোটা দেশ চালাতে ব্যর্থ সেটা বুঝতে পেরেছেন সেনাপ্রধান। সেই কারণেই তার এই বক্তব্য। এর পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছেন, সাধারণ মানুষের উপর বল প্রয়োগ না করে কাজ করতে সেনা সদস্যদের। শান্তি বজয় রাখার কথা বলেছেন ওয়াকার উজ জামান।
মঙ্গলবার ২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিয়ার সদর দফতর পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদত বরণকারী সেনা কর্তাদের স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানের যোগ দিয়েছিলেন সেনা ওয়াকাকার উজ জামান। বলেন, সবাই যেন একসঙ্গে কাজ করতে পারে। দেশ জাতির একসঙ্গে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে আহ্বান জানান সেনাপ্রধান। এমনকি তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে মতানৈক্য থাকতে পারে। কিন্তু প্রত্যেকেই একসঙ্গে কাজ করে একসঙ্গে চলার কথা বলে তিনি। তবেই দেশের সামগ্রিক উন্নতি হবে।
এমনকি একটি সতর্কবার্তা দেন সেনাপ্রধান। এখনও প্রত্যেকেই যদি সতর্ক না হই, ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে না পারি, তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে। আমরা সবাই চাই সুখে, শান্তিতে থাকতে। আমরা কোনও মারামারি, হানাহানি চাই না। এমনকি আমরা প্রত্যেকেই সুন্দরভাবে যাতে থাকতে পারি, সেই কারণেই সেনাবাহিনী অবিরত কাজ করে যাচ্ছে। আরও ঠিক কি বলেছেন সেনাপ্রধান, শুনুন…
এর পাশাপাশি আরও একটি বিষয় বলছেন রাজনীতিক বিশেজ্ঞরা। তারা বলছেন, সেনাপ্রধান বাংলাদেশের পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে নিজের দায় থেকে এড়াতে পারেন না। দেশকে ঝঞ্ঝাট মুক্ত রাখতে তাকেও দায়িত্বও নিয়ে হবে। এখন দেখার, সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশে সরকারের তরফে কি বার্তা আসে!












Discussion about this post