ভারত কোনও দেশের সঙ্গে চুক্তি করলে, অপর দেশের লাভের কথাও চিন্তা করে। সবটুকু শুষে নেওয়াতে বিশ্বাস করে না ভারত। বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জাপান, আফ্রিকা এবং ভারতের সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আফ্রিকা ও ভারতের সম্পর্ক দীর্ঘায়িত করতে চান বলে উল্লেখ করেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ভারত, আফ্রিকার সঙ্গে যে সম্পর্ক করতে চায়, তাতে দুই দেশই মিউচ্যুয়াল বেনিফিট পেতে পারে। কিন্তু একটি প্রশ্ন উঠছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। এশিয়ার অন্যান্য বহু দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুবই ভালো। কিন্তু ভারতের এই সময় কি এমন সংকট তৈরি হল, যার জন্য আফ্রিকার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় ভারত? এর আগে সেভাবে আফ্রিকার সঙ্গে ভারতের লং ট্রাম চুক্তি দেখা যাইনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের এই মুহূর্তে চাপ পরিস্থিতি তাতে ভারত বিনিয়োগ করলে সে দেশ থেকে নতুন করে কিছু পাওয়ার নেই। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার এমন কোনও দিশা দেখাতে পারচ্ছেন না, যার ভিত্তিতে দুটি দেশ এগিয়ে যাবে। ফলে ভারত বুঝিয়ে দিল, বাংলাদেশ অতীত, প্ল্যান বি হিসাবে আফ্রিকাকে বেছে নিচ্ছে ভারত।
এই কথা বলতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, অনেক দেশ চুক্তি করতে গিয়ে ঋণের ফাঁদে ফেলে দেয়। তারপর সেই দেশ থেকে চড়া হারে সুদ নিয়ে থাকে। অর্থাৎ ঘুর পথে ভারত চীনের কথা বলতে চাইলো, সেটা বুঝেছেন অনেকে।
ভারত আফ্রিকার সঙ্গে যে চুক্তি করতে চায়, তাতে কি করবে ভারত? ভারত চায়, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, টেকনোলজি ট্রান্সফার। এই ধরনের কিছু কাজ। এছাড়াও ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, ভারতবর্ষ বিশ্বাস করে প্রতিশ্রুততে। ঠিক কি বলেছেন বিদেশমন্ত্রী শুনুন
ভারত বাংলাদেশের বিকল্প খুজতে শুরু করলো। এতে যে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রবল চাপে পড়বে, সেটা বলাই বাহুল্য।
অন্যদিকে, বাংলাদেশে এখন রাজনৈতিক পট পরিবর্তন চলছে। নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, ক্ষমতার লড়াই, নির্বাচনের ঘোষণা। অর্থাৎ যে দেশ এখনও রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল নয়, সেই দেশ বিশ্ব দরবারে কিভাবে আর মেলে ধরবে? অনেকে বলছেন, নিজেদের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিচরণের মধ্যে থেকে থেকে শুধু ভারত বিদ্বেষ বাড়াচ্ছে। তাতে যে নিজেরা ক্ষতি করছে, সেটা বুঝতে পারছেন না তারা। এখন দেখার, বিশ্বের দরবারে ভারতের এগিয়ে চলা, কিভাবে দেখে বাংলাদেশের ইউনূসের সরকার!












Discussion about this post