রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে কি অপসারনের জন্য আয়োজন চলছে? যে কোনও মুহূর্তে তাকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে? এমন নানা গুঞ্জন চলছে। ১৫ই অগাষ্ট মধ্যরাত থেকে এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। পরে জানা যায়, খানিকটা এই গুঞ্জন সঠিক। সরকারের তরফে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিদেশী মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে ফেলা। কিন্তু কেন? কি কারণে এমন নির্দেশনা? জানা যাচ্ছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মৌখিকভাবে নির্দেশ গিয়েছে ওয়াশিংটন, দিল্লি, বেজিং সহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশন বা হাইকমিশোনার গুলিতে। এমনকি বিষয়টি তৎপরতার জন্য অঞ্চল ভিত্তিক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে অন্তর্বর্তী কালীন সরকার।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এবং সেখানকার হাই কমিশন দপ্তরে যখন যান, তখন দেখেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ছবি ঝুলছে। এতেই তিনি নাকি ক্ষুব্ধ হন। তিনি নাকি সঙ্গে সঙ্গেই জানান, এই ছবি নামিয়ে ফেলতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রের হাই কমিশনের এই নির্দেশনা চলে যায় বলে খবর।
এখানেই প্রশ্ন উঠছে, আসলে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে ফেলা কিসের লক্ষণ? রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করার পরিকল্পনা চলছে। এটা প্রমাণের জন্য এগুলো কি যথেষ্ট নয়? বাংলাদেশের প্রত্যেকে জানে, এর আগেও দেশের রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছিল। তবে বিএনপি এবং সেন
প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের জন্য সেটা আটকানো গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশে বড় ধরণের যাতে সাংবিধানিক সংকট তৈরি না হয়, সেই কারণে তাকে রেখে দেওয়া হয়েছে।
তবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর হয়ে যে বিএনপি একসময় লড়াই করেছিল, তারা কি এখন সেটা করবে? কারণ একসময় বিএনপি বলেছিল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হোক তারা সেটা চায় না। কারণ তারাও একটি রাজনৈতিক দল। কিন্তু পরে দেখা গিয়েছিল, বিএনপিকে পাশ কাটিয়ে আওয়ামী লীগের সমস্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পরে অবশ্য বিএনপিও পালটি খেয়েছিল। এক্ষেত্রেও এমনই আশঙ্কা করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। অর্থাৎ স্বার্থের বাইরে বা স্বার্থের উর্ধ্বে গিয়ে কোন রাজনৈতিক দলই দেশের কথা চিন্তা করে না। ফলে এখন দেখার, রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ভবিষ্যৎ কি হয় বাংলাদেশে?












Discussion about this post