বহু প্রতীক্ষিত ট্রাম্প পুতিন বৈঠক শেষ হয়েছে। কিন্তু তিন ঘণ্টার এই বৈঠক থেকে কি বেরিয়ে এল? অনেকে বলছেন, আসলে কিছুই নয়। জেলেনস্কি যেটা চাইছেন, সেটা পুতিন মানবেন না। রাশিয়া যে পাঁচটি এলাকা দখল করেছে, সেটা থেকে বেরিয়ে আসবে না পুতিন। আর ন্যাটো থেকে ইউক্রেনকে বেরিয়ে যেতে হবে। এটা যদি হয় তবে যুদ্ধ বিরতি হবে, না হলে হবে না। অর্থাৎ রাশিয়া মানল না যুক্তরাষ্ট্রকে। অর্থাৎ ট্রাম্পের যে দীর্ঘদিনের বাসনা, গোটা বিশ্বজুড়ে তারা আধিপত্য বিস্তার করবে। সেটাতে জল ঢেলে দিল পুতিন। অনেকে বলছেন, এতে বিপদে পড়লেন ইউনূসও। কারণ ট্রাম্পকে বিশ্বাস করেছিল তার সরকার।
যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে শুক্রবার আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প নিজেকে চুক্তির মধ্যস্থতায় পারদর্শী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে থাকেন। এমনকি গত শুক্রবার আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতি চলাকালীনও ট্রাম্প বলেছিলেন, পুতিন তাকে অনেক মূল্যায়ন করেন এবং এই কারণেই রুশ নেতা ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে পুতিন ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া প্রশ্নে তার দীর্ঘদিনের দাবিও ছেড়ে দেননি। ট্রাম্পের ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তিনি উপেক্ষা করেছেন।
এদিকে ট্রাম্প এই আলোচনাকে ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন। তবে ট্রাম্প সুনির্দিষ্ট করে একটি সমঝোতার কথাও উল্লেখ করতে পারেননি। উল্টে তিনি প্রচলিত নিয়ম ভেঙে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান। শোনা যাচ্ছে, ট্রাম্পকেই পুতিনের অবস্থান মেনে নিতে হয়েছে। জানা যায়, যুদ্ধবিরতির আগে যুদ্ধের মূল কারণ এর সমাধানের উপযোগী একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি করতে হবে।
অনেকে বলছেন, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জেলেনস্কির হাত ছাড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া কোনওদিনই যুক্তরাষ্ট্রের কথা শোনেনি। এদিকে ট্রাম্প চেয়েছিলেন, এর মাধ্যমে নিজেদের আধিপত্য তৈরি করবে। তার যেমন নজর মায়ানমারের দিকে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের দিকে। তবে সেই স্বপ্ন পূরণ হবে ট্রাম্পের। কারণ বাংলাদেশ হোক বা মায়ানমারের আধিপত্য বিস্তার করলে, যুক্তরাষ্ট্র গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করবে। এবং উঠতে শক্তিশালী দেশ হিসেবে ভারতকে লক্ষ্য রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। সেটা করতে দেবে না ভারত। এবং অন্যদিকে চীন। ফলে মাঝখান থেকে আমেরিকাকে বিশ্বাস করে মহা বিপদে পড়েছেন ইউনূস। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।












Discussion about this post