খারাপ সময় কি শুরু হয়ে গেল মহম্মদ ইউনুসের? ডোনাল্ড ট্রাম্পের নয়া সিদ্ধান্ত গুলি অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই ট্রাম্প usaid বন্ধ করে দিয়েছেন, যে আর্থিক সাহায্যের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাজকোষ ফুলেঁপে উঠছিল সেটা কাযত বন্ধ করে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরো একটি সিদ্ধান্ত যেটি সামনে এসেছে সেটিতে আরও বেজায় কাপে ফেলছে ইউনুসকে তা বলাই বাহুল্য।
সাম্প্রতিককালে শেখ হাসিনাকে সরানোর পিছনে যার নাম সব থেকে বেশি আলোচনায় এসেছিল সেই ডোনাল্ড লু অপসারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি চুপিসারেই বিদায় নিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথের তিনদিন আগে গত ১৭ জানুয়ারি সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদ শেষ হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণায় বলা হয়েছে, ডোনাল্ড লু তার পদের মেয়াদ শেষ করেছেন এবং তাকে বরখাস্ত করা হয়নি। পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পোস্ট করা একটি সংক্ষিপ্ত ঘোষণায় বলা হয়েছে, ডোনাল্ড লু-এর মেয়াদ এর সময়সীমা স্পষ্ট করা হয়েছে।
সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালনের সময় ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে শীর্ষ এই মার্কিন কূটনীতিক দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনীতি বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে বেশ আলোচিত নাম হয়ে উঠেছিলেন। ২০২২ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ডোনাল্ড লুর নামই উঠে এসেছিল। ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ডোনাল্ড লু পাকিস্তানের সাথে মার্কিন সম্পর্ক তত্ত্বাবধানকারী ব্যুরোর নেতৃত্বে ছিলেন। এছাড়া তৎকালীন পিটিআই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পেছনে মার্কিন এই সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করেছিলেন খোদ ইমরান খান।
সেই ঘটনার পর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ঢাকা সফরে এসেছিলেন ডোনাল্ড লু। আর তারপর থেকে ২০২৪ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইস্যুতে নতুন ভিসানীতি প্রকাশসহ নানা কারণে আলোচনায় ছিলেন মার্কিন এ কূটনীতিক। এছাড়া ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০২৩ সালে ২২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের কিছু ব্যক্তির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
প্রসঙ্গত, আমেরিকা সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরাইলকে ২০০০ পাউন্ড বোমা দেওয়ার বিষয়টি স্থগিত করে রেখেছিল। এবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।












Discussion about this post