বাংলাদেশের নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। সূত্র মারফত খবর, সেনাবাহিনীর সদর দফতরে উচ্চপর্যায়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেটা রাত বারোটার সময়। এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। ছিলেন পাঁচজন লেফটেন্ট জেনারেল, আট জন মেজর জেনারেল এবং বহু ইন্ডিপেন্ডেন্ট ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়াররা। এই বৈঠক চলে দেড় ঘন্টা মতো। এই বৈঠকের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সঙ্গে দেখা করেন সেনাপ্রধান। সেই বৈঠক হয় ৪৫ মিনিট। আর তারপর থেকেই তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেখা যাচ্ছে, সেনাবাহিনীর তৎপরতা। বাংলাদেশের বিভিন্ন রাস্তায় সেনাবাহিনী ঘোরাফেরা করছে। কার্যতো দখল করেছে তারা। অর্থাৎ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান তার বাহিনীকে সক্রিয় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে খবর হয়েছে, সেনাপ্রধান পরপর যেকটি বৈঠক করেছেন সেই বৈঠকে কার্যত সমস্ত পক্ষকে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন। অর্থাৎ হটোকারী সিদ্ধান্তের পথে হাঁটবেন না সেনাপ্রধান বা সেনাবাহিনী। এমনটাই মনে করছেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহল। তবে দেশকে রক্ষা করতে কঠোর হতে পারেন তিনি। এটাতে কোনও দ্বিমত নেই রাজনৈতিক মহলে।
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, বাংলাদেশে এতদিন প্রশাসনের ভিতরে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। মনে করা হচ্ছিল দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। একটি সেনাপ্রধান এবং একটি উপদেষ্টা মন্ডলী। কিন্তু এর মধ্যে মোহাম্মদ ইউনুস তাকেও কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে। কারণ সম্প্রতি ইউনুস বলেছেন, আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে নিসিদ্ধ নয়, এমনকি সেই দলকে নিষিদ্ধ করার কোন পরিকল্পনা নেই সরকারে। এটা ভালোভাবে দেখছি না ছাত্র নেতারা। তাই প্রকাশ্যে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে যেমন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তারা, একইভাবে সরকারের প্রধানকেও দুষেছেন তারা।
আর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সেনা শাসন জারি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন রাস্তায় যেভাবে দেখা যাচ্ছে সেনাদের মহড়া, তাতে এটা স্পষ্ট, ওয়াকার বাংলাদেশের পরিস্থিতির আয়ত্তে আনতে সচেষ্ট। তবে একের পর একটার বৈঠক রাজনৈতিক মহলকে ভাবাচ্ছে, আসলে কি করতে চলেছেন তিনি। তবে উত্তর দেবে একমাত্র সময়।












Discussion about this post