বাংলাদেশের আর্থিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। ভাঁড়ে মা ভবানী অবস্থা গোটা দেশের। তার মধ্যে সবথেকে ভরসার জায়গা ভারতকে চটিয়েছে। ফলে ভারত থেকে কোন আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে না বাংলাদেশ। এদিকে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর, সমস্ত ধরনের ত্রাণ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। অনেকে বলছেন, পাকিস্তানের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। আর সেই দেশের বন্ধুত্ব করেছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশকেও সেই একই পথে নিয়ে গিয়েছে পাকিস্তান।
আর এই ঘটনার সব থেকে বড় প্রমাণ হল, সম্প্রতি একটি খবর সামনে এসেছে। সেটি হল, বাংলাদেশের রেলের আধিকারিকদের বেতন নাকি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা নিয়ে আন্দোলন করছেন সরকারি চাকুরীজীবীরা। পেট্রলের সঙ্গে সংকট রয়েছে বাংলাদেশে। শুধু তাই নয়, দ্রব্য মূল্যের দাম আকাশ ছোঁয়া। এখানে একটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন উঠছে, যে দেশের অভ্যন্তরে এই সমস্যা, এখানে কিভাবে মোহাম্মদ ইউনুস পাকিস্তান থেকে একাধিক অস্ত্রশস্ত্র কিনছেন? তবে কি দেশের পরিস্থিতি আরো সংকটে ফেলার জন্য দায়ী ইউনূস? সেটা কি বুঝে গিয়েছেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ? সেই কারণেই কি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নানা সময় আন্দোলন মাথা ছাড়া দিচ্ছে। তাদের তরফে বলা হচ্ছে, ইউনূস নয়, সেনা শাসন জারি হোক গোটা বাংলাদেশে।
তবে রেলের আধিকারিকদের আন্দোলনের জেরে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। তারা কর্ম বিরতি চালাচ্ছেন। তাদের দাবি, বেতন সহ যে সমস্ত সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কথা ছিল সরকারের পক্ষ থেকে, সেগুলি দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে ট্রেনের যাত্রীরা চূড়ান্ত ভোগান্তিতে। তাদেরকে বাসে করে পাঠানো হচ্ছে গন্তব্যস্থলে। তবে যাতায়াতের থেকেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তৈরি হয়েছে ট্রেন বন্ধের জেরে। কারণ আমদানি রপ্তানির একটি বড় সুবিধা হল ট্রেন। আর সেই ট্রেন যদি বন্ধ থাকে দিনের পর দিন, তবে গোটা দেশের পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। দ্রব্যমূল্য আরো চড়া হবে। আর এতে সাধারণ মানুষের না নাভিশ্বাস উঠবে।
অন্যদিকে দেশে নেই মহম্মদ ইউনূস। তিনি বিদেশে রয়েছেন। আদেও দেশে ফিরবেন কিনা, সেই নিয়ে সংশয় তৈরি হচ্ছে। একটি ভিডিও বার্তা এসে পৌঁছেছে। সেখানে ইউনূসকে বলতে শোনা যাচ্ছে, তিনি যদি দেশে ফিরতে না পারেন তাহলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হোক। দেশের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে কোন রাষ্ট্র নেতা নেই বাংলাদেশের। তার ওপর নির্বাচন নিয়েও সেরকম কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে না দেশের অন্দরে।
তবে একটি বিষয় পরিষ্কার, যে দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কমিয়ে দেওয়া হয়, তাদের পরিস্থিতি কতটা শোচনীয়। এখন দেখার, গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন হিসাবে ট্রেন কবে চালু করতে পারে বাংলাদেশ।












Discussion about this post