এইবার কি ইউনূসের পাসপোর্ট বাতিল করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? এই প্রশ্ন টাই উঠছে। কারণ একের পর এক ঘটে চলা ঘটনা এই প্রশ্নগুলো উস্কে দিচ্ছে l প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের তরফে বাংলাদেশকে দেওয়া সমস্ত আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে। তারপরে ইউনুসকে একাধিক বার্তা ট্রাম্পের তরফে। এইবার বলেই বসলেন, বাংলাদেশের বিষয়টি বন্ধু মোদীর উপরই ছাড়লাম।
সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মার্কিন সফর করছেন। তার সঙ্গে ফ্রান্স ও সফর করেছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছেন, দুটি সফরেই বহুমুখী তাৎপর্য রয়েছে।
সূত্র মারফত খবর, দুই রাষ্ট্র প্রধানের আলোচনায় উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক দুই দেশের নানা সমস্যা। এমনকি এই খবরও উঠে আসছে, ভারত চীন সীমান্তের সমস্যা মেটাতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেটি প্রত্যাখ্যান করেন নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও সামরিক দিক থেকেও আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। ভারতকে এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান দেবে আমেরিকা। এছাড়াও জানা গিয়েছে, মোদি ট্রাম্প যৌথভাবে বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানকে।
তবে যে বিষয়টি নিয়ে সবথেকে বেশি জল্পনা ছড়িয়েছে, তা হল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। বাংলাদেশ নিয়ে কি বললেন ট্রাম্প? হাসিনাকে নিয়ে কি কোনও কথা হল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে? সূত্র মারফত খবর, বৈঠকে উঠেছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের বিষয়টি মোদীর উপরই ছাড়লাম। বাংলাদেশের পরিস্থিতি শুনে বললেন ট্রাম্প।
আর্থিক সাহায্য বন্ধ হতেই চাপে পড়েছেন ইউনুস। কোথা থেকে অর্থ যোগাবেন সেটা ভেবে কুল পাচ্ছেন না। তার উপর যে দেশকে শত্রু দেশ বলে প্রায় ঘোষণা করে ফেলেছেন ইউনূসের দেশ, সেই দেশের উপর ভার। এ তো মহা সমস্যায় পড়লেন নোবেল জয়ী এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রধান মোহাম্মদ ইউনূস।
হাসিনা এখন ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন। ভারত হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে কিনা, স্পষ্ট নয়। এর মধ্যে বহুবার বাংলাদেশের তরফে ভারতের কাছে এসেছে হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি। তবে রাজনৈতিক মহল বলছে, এত সহজে ভারত হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না। এমনকি এও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক কোন আইনের পরিপ্রেক্ষিতে হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ তাকে বিচার করবে? এই নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটা সংঘাত চলছে। তাই প্রত্যেকের নজর ছিল ট্রাম্প মোদির বৈঠকের দিকে। তবে বলা যায়, বাংলাদেশের উপর কি ওপর প্রভাব পড়তে চলেছে, সেটা নির্ভর করছে ভারতের উপর। এখন দেখার, কি অ্যাকশন নেয় ভারত।












Discussion about this post