ভারত বরাবরই সামরিক ক্ষেত্রে নজর দিয়ে এসেছে। নরেন্দ্র মোদীর আমলেও দেখা গিয়েছে সামরিক অস্ত্রের ভান্ডার ভরে উঠছে ভারত। বেশিরভাগ সময়ই দেখা গিয়েছে, রাশিয়া থেকে যুদ্ধ বিমান, যুদ্ধ অস্ত্র কিনতে ভারতকে। কিন্তু এইবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র কেনার কথা ভাবছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। সেই কারণেই আমেরিকা থেকে শোনা যাচ্ছে, এফ ৩৫ কিনছে ভারত।
নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের জুটি বিশ্ব দরবারে বেশ নজরকাড়া। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের মসনদে বসতেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আলোচনা চলছে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে কি করতে চলেছে,? সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ট্রাম্প ও মোদীর সাক্ষাৎকার হয়েই গেল। বৈঠক থেকে উঠে এল একাধিক প্রসঙ্গ। বাণিজ্য, সামরিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয়। তারমধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ। কারণ ট্রাম্প বাংলাদেশ নিয়ে কি পদক্ষেপ করবেন বা কি বার্তা দেবেন, মুখিয়ে ছিল প্রত্যেকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের কথা শোনেন মোদীর মুখ থেকে। উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি। তারপর বন্ধু মোদীর উপর ছেড়ে দেন ট্রাম্প।
এ তো গেল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। এইবার খবর উঠে আসছে ভারতকে এফ ৩৫ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কেন? এই এই মুহূর্তটা কি কেন বেছে নিলেন নরেন্দ্র মোদি? তবে কি যুদ্ধক্ষেত্রে প্রস্তুত হয়ে থাকছে ভারত? যদিও সব সময় ভারত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। কারণ ভারতের কাছে রয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধ অস্ত্র, যুদ্ধ ট্যাংক, যুদ্ধবিমান। যা বহু দেশের কাছেই নেই। প্রত্যেক বছরই সামরিক ক্ষেত্রে একটা মোটা অংকের বরাদ্দ থাকে সামরিক যুদ্ধ খাতে। ফলে সেটাকে আরো বেশি মজবুত ও শক্তিশালী করতে নরন্দ্র মোদি বহু ক্ষেত্রে যুদ্ধ অস্ত্র কিনে থাকেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের যুদ্ধবিমান নেওয়া নিয়ে বাংলাদেশের বহু গণমাধ্যম রিপোর্ট পেশ করছে। এখানেই স্পট, বাংলাদেশ ভয় পাচ্ছে। যে কোন ক্ষেত্রে ভারত যদি তাদের ওপর হামলে পড়ে, তবে শুধু বাংলাদেশ কেন, বাংলাদেশ পাকিস্তান মিলেও ভারতকে পরাস্ত করতে পারবে না। সেটা খুব ভালো করে জানেন বাংলাদেশের সরকারে থাকা উপদেষ্টারা। এছাড়াও সেই দেশের বহু রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক। সেই কারণেই তারা বিভিন্ন রকম জল্পনা কল্পনা ছড়াচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে।
তবে ভারত যুদ্ধের দিকে এগোবে না বাংলাদেশের জন্য। কারণ যুদ্ধে বিশ্বাস করে না ভারত। তবে তারা সব সময় প্রস্তুত। এটা বিশ্ব দরবারে স্পষ্ট। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে এমন পর্যায়ে সম্পর্ক পৌঁছয়নি, যা ভারতকে যুদ্ধে নামতে হবে বাংলাদেশের সঙ্গে। যদিও এই বিষয় তেমন কোন বিবৃতি আসেনি ভারতের তরফে। এখন দেখার, পরবর্তী পদক্ষেপ কি করতে চলেছে ভারত!












Discussion about this post