সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের কার্যকলাপ এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে বিরক্ত প্রকাশ করতে বাধ্য হচ্ছে ভারতের। মুখ খুলেছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দিবেদি। ভারতীয় গণমাধ্যমকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। সেখানে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান, যা নিয়ে উপমহাদেশে চলছে জল্পনা।
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দিবেদি পাকিস্তানকে সতর্ক করতে গিয়ে বলেছেন, আমাদের স্পষ্ট বার্তা, প্রয়োজন পড়লে আগ্রাসী হবে ভারত। তিনি মূলত বাংলাদেশ পাকিস্তানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পাশাপাশি কাশ্মীর ইস্যুতে এই ধরনের বার্তা দেন। এদিকে কয়েকদিন ধরেই কাশ্মীরে দেখা যাচ্ছে তৎপরতা। তবে কি যুদ্ধের ইঙ্গিত মিলছে? যুদ্ধের জন্যই এত টহলদারি?
এদিকে ইউনুস বাংলাদেশে আসীন হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনীতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক অবনতি হচ্ছে। পাশাপাশি হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ার পর সে দেশ থেকে নানা ধরনের মন্তব্য ধেয়ে আসছে। অবশ্য তাতে এতদিন ভারত কোনও বিরূপ মন্তব্য করেনি। কিন্তু এবার ধীরে ধীরে কঠোর হচ্ছে ভারত সরকার।
ইদানিং বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে আইএসআইয়ের পতাকা। তবে কি বাংলাদেশের আইএসআই ঘাঁটি গাড়ছে? ঘুর পথে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে? এমনিতেই অনুপ্রবেশ নিয়ে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অশান্তি চলছে। তারমধ্যে ভারত জঙ্গি প্রবেশ করানোর জন্য মরিয়া পাকিস্তান। আর তার জন্য বাহলাদেশকে বেছে নিয়েছে তারা। বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে তারা। যদিও সেখানে কড়া প্রহরায় রয়েছে বিএসএফ। বাড়ানো হয়েছে নরদারি। এই বিষয়টি নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দিবেদি জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে অনেক বেশি গঠনমূলক হতে হবে সরকারকে। একটা সুস্থ পরিকাঠামোই একটি সুস্থ দেশকে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। কিন্তু তার জন্য দরকার স্থায়ী সরকার। বাংলাদেশে কোনও স্থায়ী সরকার নেই এই মুহূর্তে। তাই এত বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে গোটা দেশজুড়ে।
যদিও ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী, এবং দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের ভালো সম্পর্কের জন্য , ভারত চাইছে বাংলাদেশে স্থিরতা ফিরুক। তাতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভালো থাকবে। কিন্তু সেই চেষ্টা কি আদেও করছে বাংলাদেশ?
কারণ ইউনূসের তরফে তেমন কোনও প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তবে ভারতের সেনাপ্রধান যে বার্তা দিয়েছেন, তাতে ঘুম উড়েছে ইউনুসের।












Discussion about this post