ফের বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয শংকরের। এই নিয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে চতুর্থবার এই ধরনের মন্তব্য করা হল। হঠাৎ কেন ভারত চোটে গেল বাংলাদেশের প্রতি?
আন্তর্জাতিক স্তরে রাজনৈতিক পট দেখলে দেখা যাবে, ইউক্রেনের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পএর লড়াই, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের লড়াই বা কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের লড়াই, এদিকে ইসরায়েল, হামাস নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে। অন্যদিকে পাকিস্তান, বেলুচিস্তান, আফগানিস্তান তালিবান নিয়ে জর্জরিত। তারমধ্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রী কিংবা সেনাপ্রধান কিংবা বিদেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে, তাতে ভয় ধরাচ্ছে ইউনুসকে। এদিকে বোঝা যাচ্ছে, বাংলাদেশের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখতে শুরু করেছে ভারত সরকার।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী সমন্বয়কের নিয়ে বেশ কিছু কথা বলেন। পাকিস্তান ইস্যুতে জয়শঙ্কর জাতিসংঘে কিছু কথা বলেছিলেন। তিন বলেছিলেন, আলোচনা এবং রক্তপাত একই টেবিলে বসে হতে পারে না। কারন আপনারা বলছেন আলোচনা চাই, আপনারা বলছেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করতে চাই। কিন্তু কাশ্মীর নিয়ে লাগাতার রক্তপাত ঘটানোর চেষ্টা করছেন, দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। আর এই প্রথমবার জয়শঙ্কর বললেন, সকালে উঠে প্রতিদিনই দেখছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনও না কোনও উপদেষ্টা ভারত বিরোধী কথা বার্তা বলছেন। আর অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, আপনারাই আবার আমাকে বাংলাদেশের যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। দুটো জিনিস একসঙ্গে হতে পারে না। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কূটনৈতিক ক্ষেত্রটি একেবারে আলাদা। তবে ছোটখাটো বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতের উপর যে দায় চাপিয়ে দিচ্ছে, তাতে ভারত সব হিসেব কষে রাখছে। এখন সময় হয়েছে, ধীরে ধীরে মুখ খুলছে ভারত। এইবার সব উল্টোভাবে দিতে শুরু করলে কূল পাবে না ইউনূসের দেশ।
এদিকে ভারতের উপরে নির্ভর করতে হয় বাংলাদেশকে। চাল আল ু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য ভারতের কাছে হাত পাততে হয় ইউনূসের দেশকে। কিন্তু তারপরও ভারতকে নিয়ে তাদের দিনের পর দিন মন্তব্য, যা ভালোভাবে নিচ্ছে না ভারতের শীর্ষ প্রধানরা। এতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, দুই দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক।
যদিও ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী এবং দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের ভালো সম্পর্কের জন্য , ভারত চাইছে বাংলাদেশে স্থিরতা ফিরুক। তাতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভালো থাকবে। কিন্তু সেই চেষ্টা কি আদেও করছে বাংলাদেশ? ওয়াকিবহাল মহল বলছে, বাংলদেশে নিজের পায়ে নিজে কুরুল মারছে, এখন দেখার দেরিতে হলেও সুবুদ্ধি হয় কিনা বাংলাদেশের।












Discussion about this post