হাসিনা নাকি দেশে ফিরছেন। ২০২৫ এর মার্চ মাসের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশে পা রাখছেন। এমনটাই খবর চাউর হচ্ছে। এদিকে ফেব্রুয়ারি মাসেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে আমেরিকায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি। এর মধ্যে খবর এসেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা হয় হাসিনার। কি বিষয়ে কথা হয়েছে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বাংলাদেশে প্রত্যপন নিয়ে যে কথা হতে পারে সেটা আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। নির্দিষ্ট করে ১৮ মিনিট কথা হয়েছে তাদের দুজনের। এই ১৮ মিনিটের কথোপকথন কি মাত দেবে ইউনুসকে?
উল্লেখযোগ্যভাবে, ফেব্রুয়ারী মাসেই ঠাসা কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। ১ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে তাদের নানাবিধ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। গোটা বাংলাদেশ এ জনসংযোগ, বিক্ষোভ, মিছিল করবে আওয়ামী লীগ। শেষ দিনে হরতালের ডাক দেওয়া হয়েছে। এমনকি উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে, যদি এই কর্মসূচিতে বাধা দান করা হয়, তবে বড় কোনও কর্মসূচি গ্রহণ করবে আওয়ামী লীগ। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের অবস্থান সম্পর্কে জানেন শেখ হাসিনা। তারপরও এই ধরনের কর্মসূচি কেন? আদৌ কি তিনি সফল করতে পারবেন এই কর্মসূচি? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পোক্ত রাজনৈতিক বিদ ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। কর্মসূচি সফল বা ব্যর্থ পারে, তাতে বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট হবে।
এদিকে ফেব্রুয়ারি মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদীর যে সাক্ষাৎকার হবে, সেখানে আলোচনা হবে বাংলাদেশ নিয়ে। এই বৈঠকের পরই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। সেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত যেকোনও একটি দেশ করতে পারে। ফলে অত্যন্ত চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে বাংলাদেশের কাছে। আসলে ট্রাম্প আমেরিকার ক্ষমতায় আসতেই কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে মহাম্মদ ইউনুস! সুখের দিন শেষ হতে চলেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের। বন্ধ হচ্ছে আমেরিকার আর্থিক সাহায্য। জো বাইডেন প্রশাসনের জামানা শেষ হতেই সমস্ত দেশের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন নয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৯০ দিন সমস্ত সাহায্য বন্ধ এবং পুরো বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করবেন ট্রাম্পের প্রশাসন। যা সরাসরি না বললেও চাপে রয়েছেন ইউনূস।












Discussion about this post