ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নিতেই অশনি সংকেত দেখছে বাংলাদেশ। কারণ তিনি আগেই কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। শপথ নেওয়ার পরই খেলা শুরু করে দিয়েছেন ট্রাম্প। বাংলাদেশকে সমস্ত রকম আর্থিক সাহায্য বন্ধের ডাক দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই পরিস্থিতিতে ইউনূসের জন্য একটি ভয়ংকর খবর সামনে এসেছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সে দেশের ডিফেন্স সেক্রেটারি নিযুক্ত হয়েছেন পিট হেগসেথ। পিট হেগসেথেরে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আমেরিকার সেনার অবস্থান। তিনি জানাচ্ছেন, আমেরিকা যুদ্ধ চায় না। যুদ্ধ প্রতিহত করতে চায়। তবে যুদ্ধ করতে হলে, বিপুল পরিমাণে সেনা নিয়ে আঘাত হানবে। তাদের সেনাদের ঘরে ফিরিয়ে আনা হবে। এটা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত চিন্তার।
কারণ, পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সে বন্ধুত্ব, তা ভালো চোখে দেখেনি ভারত। এর মধ্যে খবর উঠে এসেছে, চার আইএসআই কর্তাকে গোপনে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। এমনকি সূত্র বলছে, বাংলাদেশের সেনাকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন তারা। খবর উঠে এসেছে, আই এস আই – এর মেজর জেনারেল – সহ বেশ কিছু শীর্ষ আধিকারিক বাংলাদেশে গিয়েছেন। তাদের এই সফরের আগে বাংলাদেশের শীর্ষ কিছু সেনা আধিকারিক সে দেশে গিয়ে সেখানকার শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন। গোপন সূত্র বলছে, যুদ্ধ নিয়েই বিস্তর আলোচনা হয়েছে দুপক্ষের। ইন্ধন যোগাচ্ছে পাকিস্তান। নিশ্চয়ই তার প্রথম টার্গেট থাকবে ভারতই। কারণ ভারতের বিবেচিত শত্রু হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান। আর এই পরিস্থিতিতে যদি যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়, ভারতের সঙ্গে থাকার সুসম্পর্ক আমেরিকা কঠোরভাবে আঘাত হানতে পারে।
অর্থাৎ বাংলাদেশের এখন শিরে সংক্রান্তি। মার্কিন ডিফারেন্স সেক্রেটারি তরফ থেকে এই ধরনের বক্তব্য কার্যত ভয় ধরাচ্ছে ইউনুসকে। তার ওপর সামনে আসছে একের পর এক হাসিনার ভাইরাল হওয়া অডিও বার্তা। এটাও একটি চিন্তার কারণ। তবে কি হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার পথ তৈরি করে ফেলেছেন? সেই কারণেই তার এত আত্মবিশ্বাস? সেই প্রশ্ন মাথাচারা দিচ্ছে। এখন দেখার, শেষমেষ ইউনূসের তরফে কোনরকম বক্তব্য সামনে আসে কিনা।












Discussion about this post