আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি বিষয় খুব চর্চিত হচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। এদিকে মাথায় হাত পড়েছে বাংলাদেশর। আগেই আঁচ করা গিয়েছিল, ট্রাম্প ক্ষমতায় বসেই বাংলাদেশের জন্য কঠোর পদক্ষেপ করতে পারেন। তাই সত্যি হল।
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে একটি বিষয় প্রচলিত আছে, তা হল বাইডেনের সঙ্গে ইউনুসের যতটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, সেই সম্পর্ক নেই ট্রাম্পের সঙ্গে। কাজেই ইউনূসের উপর খাড়ার ঘা আসতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। আর ঠিক সেটাই হল। ৯০ দিনের জন্য বিদেশি সহায়তায় স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের। বিশেষ করে জনস্বার্থ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা বন্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের তরফে স্পষ্ট করে জয়েন দেওয়া হয়েছে, বৈদেশিক সহায়তা করবে না আমেরিকা। শুধুমাত্র খাদ্য সংকটে এবং ইজরায়েল ও মিশরের জন্য সামরিক অর্থায়নে সহায়তা করবে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ত্রাতা নীতির পরিবর্তন আনলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এখনো পর্যন্ত যা খবর, ৫০ বছরেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ মূলক
বিষয়ে সাহায্য করে এসেছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৫০ কোটি ডলার, ২০২২ সালে ৪৭ কোটি ডলার, ২০২৩ সালে ৪৯ কোটি ডলার, ২০২৪ সালে ৪৫ কোটি ডলার সহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সাহায্য আর আসবে না যুক্তরাষ্ট্র থেকে। কাজেই চরম বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। এমনিতেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছে। যেগুলি লাগাম প্রান্তে ব্যর্থ ইউনুস প্রশাসন।
অনেকেই বলছেন, ইউনুস আগে থেকে আঁচ করতে পেরে বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। সেখান থেকে তড়িঘড়ি একটি বার্তা পাঠিয়েছেন, যেখানে তিনি বলছেন, তিনি যদি দেশে ফিরে আসতে না পারেন তাহলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হোক। অর্থাৎ ইউনুস দেশে ফিরলে জনরোষে পড়বেন। তাই তিনি পালিয়ে বেঁচেছেন। আর হয়তো তিনি দেশে ফিরবেন না এমনটাই মনে করা হচ্ছে। এদিকে বাংলাদেশে স্থায়ী সরকারের জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আবার অনেকে বলছেন সেনা শাসন জারি হোক বাংলাদেশে। অন্যদিকে আরও বহু মানুষ তারা বলছেন হাসিনা ফিরে আসুক। অর্থাৎ ইউনূসকে যে চাইছে না বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তা একেবারে স্পষ্ট। এখন দেখার, যুক্তরাষ্ট্রের এমন কঠিন পদক্ষেপের পর কি করে বাংলাদেশ।












Discussion about this post