ট্রাম্প মোদীর সাক্ষাৎকারের দিকে তাকিয়ে ছিল সবাই। কি হতে চলেছে দুই রাষ্ট্র প্রধানের বৈঠকে? সব থেকে বেশি জল্পনা তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশ নিয়ে। হাসিনার জন্য কি নতুন কোনও চমক আসতে চলেছে। নাকি ভাগ্য নির্ধারণ হবে ইউনূসের?
এল সেই প্রতীক্ষিত মোদি ট্রাম্পের বৈঠক। মাত্র ৩৬ ঘণ্টা সময় পেলেন নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্র মারফত খবর, দুই রাষ্ট্র প্রধানের আলোচনায় উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক দুই দেশের নানা সমস্যা। এমনকি এই খবরও উঠে আসছে, ভারত চীন সীমান্তের সমস্যা মেটাতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেটি প্রত্যাখ্যান করেন নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও সামরিক দিক থেকেও আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। ভারতকে এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান দেবে আমেরিকা। এছাড়াও জানা গিয়েছে, মোদি ট্রাম্প যৌথভাবে বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানকে।
তবে যে বিষয়টি নিয়ে সবথেকে বেশি জল্পনা ছড়িয়েছে, তা হল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। বাংলাদেশ নিয়ে কি বললেন ট্রাম্প? হাসিনাকে নিয়ে কি কোনও কথা হল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে?
হাসিনা এখন ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন। ভারত হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে কিনা, স্পষ্ট নয়। এর মধ্যে বহুবার বাংলাদেশের তরফে ভারতের কাছে এসেছে হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি। তবে রাজনৈতিক মহল বলছে, এত সহজে ভারত হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না। এমনকি এও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক কোন আইনের পরিপ্রেক্ষিতে হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ তাকে বিচার করবে? তাই প্রত্যেকের নজর ছিল ট্রাম্প মোদির বৈঠকের দিকে। সূত্র মারফত খবর, বৈঠকে উঠেছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের বিষয়টি মোদীর উপরই ছাড়লাম। বাংলাদেশের পরিস্থিতি শুনে বললেন ট্রাম্প।
তবে কি নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের উপর বড় কোন পদক্ষেপ করতে চলেছেন? তবে এইটুকু স্পষ্ট, ভারত কোনও যুদ্ধের পরিস্থিতি যাবেনা। কারণ তাতে ক্ষতি হতে পারে ভারতেরই। বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কাছে। তাই বাংলাদেশে আরাজগতা সৃষ্টি হলে আদতে ক্ষতি হবে ভারতেরই। কারণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরের নানা সমস্যা এমনিতেই দুই দেশের বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। ক্ষতি হয়েছিল বহু ছোট ছোট ব্যবসায়ীরাও। এর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে অনেকগুলি সমস্যা দানা বাঁধবে। কাজেই এই সমাধানে যুদ্ধ দিয়ে সমাধান করবেন না, নরেন্দ্র মোদি।
এখন দেখার, বাংলাদেশ নিয়ে কি পদক্ষেপ করেন নরেন্দ্র মোদি।












Discussion about this post