প্রজাতন্ত্র দিবসে বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। আর এই অনুষ্ঠানের তালিকা দেখলে বোঝা যাবে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশকে কড়া বার্তা দিয়ে দিল ভারত সরকার। আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিল বিএনপির সিনিয়র নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ডা. মইন খান, এডভোকেট নিপুণ রায়, আইন ও বিচার উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা ও বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নিখিল মজুমদার। কিন্তু সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব কে। যা নিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিক সরকার প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন।
এই আমন্ত্রিতদের তালিকা দেখলে বোঝা যাবে, হাসিনার বিরোধী নেতৃত্ব, আইনজীবী তারাও জায়গা পেয়েছেন লিস্টে। কিন্তু বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোন নেতৃত্বই ডাক পাননি আমন্ত্রিতদের তালিকা থেকে। এর মাধ্যমে একটি বড় বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে ভারত। এখনকার যারা সরকাররে রয়েছেন, তাদের প্রতি কোন গুরুত্বই দেয়নি ভারত। সেটাই ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে। আর এই নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যেমন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, ঠিক একইভাবে তারা চিন্তিত হয়ে পড়েছে।
এমনকি উল্লেখযোগ্য ভাবে, এই অনুষ্ঠান থেকে বাদ রাখা হয়েছে জামাতের মত একটি সংগঠন কেউ। তাদের কোন নেতৃত্বকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। পূর্বে দেখা গিয়েছে, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ভারতের সাপোর্ট, জাম আনতে নারাজ ছিল জামাত। এমনকি তারা হাসিনার সরকারের সময় নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু ইউনূসের আমলে তারা মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে। যা ভালো চোখে দেখেনি ভারত। তাই একাধিক প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। তবে কি ভারত এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে, যেখানে চাপে পড়তে পারে বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা কট্টরপন্থী মৌলবাদী সংগঠনগুলি?
শেষ কয়েকটি মাসে বাংলাদেশের কার্যক্রমের দিকে নজর রাখতে দেখা যাবে, সবথেকে বেশি ভারত বিরোধী কথা বলেছিল ছাত্রনেতারা। এমনকি সেভেন সিস্টার্স দখলের হুমকি দিয়েছিল এই ছাত্রনেতাই। ফলে ভারতের রোশনালে পড়বে এই ছাত্র নেতারা তা কার্যত পরিষ্কার।












Discussion about this post