ফের আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগের ব্যাপক শো ডাউন দেখা গেল ঢাকাতে। বাংলামোটরে বেশ বড় শো ডাউন করেছে তারা। তারা জমায়েত করেছিল এনসিপি কার্যালয়ের সামনে। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি লক্ষ্য করা যায়। এমনকি বেশকিছু আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঝটিকা ছাড়াও আরও তিনটি ঝটিকা মিছিল প্রস্তুতি দেখা গিয়েছে। কিন্তু সেখানে তারা পুলিশের তৎপরতাই মিছিলটি করে উঠতে পারেনি শেষমেশ। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ক্ষমতা দেখাচ্ছে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে পুলিশের গতিও বাড়ছে। এর জেরে অন্তর্বর্তী সরকার বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। শুধুমাত্র ঢাকা শহরে নয়, প্রত্যন্ত এলাকার প্রশাসনকেও বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল করে আওয়ামী লীগ। ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিল প্রায় কয়েকশো নেতা কর্মী। শুক্রবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ ওই মিছিল লক্ষ্য করা যায়। জানা যায়, একটি বাইক সহ ৬ জনকে আটক করে বলে। বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের দিকে মিছিল নিয়ে যান আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। ওই মিছিলে অংশ নেওয়া আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় এক নেতা বলেন, এই অবৈধ সরকার কাউকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করছে। এরই প্রতিবাদে আমরা মিছিল করতে নেমেছি। তিনি আরও বলেন, তাদের মিছিলের শুধুমাত্র আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা নয়, সাধারণ মানুষের যোগ দিয়েছিল।
এটা সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই মিছিলের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন আওয়ামীলীগ সমর্থক ব্যানার নিয়ে রাস্তায় হাঁটছে। আর একজন পুলিশ তাদের তাড়া করছে। সেখানে একজন পুলিশকেই মাত্র দেখা গিয়েছে। এছাড়াও মিরপুর, রমনা ও গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা করা হলে পুলিশি তৎপরতায় গ্রেফতার হয় ১৮ জন। বাংলামোটর ও গুলশান এলাকা থেকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. মাইন উদ্দীন, বিল্লাল হোসেন, মো. রাব্বি, সোহেল হাসান ওরফে রাফি, আরিফ, নাদিম, মো. শুক্কুর হাওলাদার, শিহাব মুন্সি, মো. জুয়েল, সাদ্দাম মোল্লা, মো. রানা ও মো. নাজমুল।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। তারপরও কিভাবে আওয়ামী লীগের মিছিল হচ্ছে একাধিক জায়গায়? তবে কি প্রশাসন আটকাতে পারছে না? শেখ হাসিনারর পরিক্লপনায় কি বাস্তবায়িত হতে চলেছে? উঠছে প্রশ্ন। আরও বড় প্রশ্ন, তবে কি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লাগ চেষ্টা চালিয়ে যাবে? এখন দেখার, শেষমেশ আওয়ামী লীগের অবস্থান কি হয় বাংলাদেশে।












Discussion about this post