মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে শুল্ক নিয়ে দাপাদাপি করছেন, তাতে একটি শক্তি তৈরি তার বিরুদ্ধে। আর সেটা হচ্ছে রাশিয়া থেকে। রাশিয়াতে গিয়েছেন একদল রাষ্ট্রনেতা। তারা রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। হঠাৎ কেন এই বৈঠক? সেটা ঘিরে প্রশ্ন উঠছে। একইসঙ্গে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল মস্কোতে ছিলেন। বৈঠক করছেন ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। একই সঙ্গে বহু দেশের শীর্ষ নেতারা পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এমনকি তার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফোনে কথা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে চরম আলোচনা হয়েছে। তবে কি কথা হল?
রাশিয়ার সরকারি মারফত জানা যাচ্ছে, কথা হয়েছে ইউক্রেন নিয়ে। এছাড়াও সেখানে যে যে বিষয় উল্লেখ রয়েছে, তাতে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে রয়েছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। তবে আলাদা করে বাংলাদেশ প্রশ্ন টল হয়নি। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এর মধ্যে সেটারই ইঙ্গিত রয়েছে। আমারিকা পাকিস্তানকে কাজে লাগিয়ে চিন ও ভারতের প্রভাবকে খর্ব করার চেষ্টা করছে। এমনকি পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে একই ছাতার তলায় নিয়ে এসেছে।
এদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের দূরত্ব বেড়েছে। তার কারণ অপারেশন সিঁদুরের সময় চীনের তৈরি অস্ত্র নিয়ে সন্দিহান প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। আর তারপরই দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে খবর। আর এটাকে কাজে লাগিয়ে আমেরিকা পাকিস্তানকে নিজেদের দিকে টানতে চাইছে। এবং তাতে সফলও হয়েছে। আসিম মুনীরকে নিজেদের কাছে টেনে নিয়েছে ট্রাম্প। ভারতকেও চেয়েছিল। কিন্তু ভারত ফাঁদে পা দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ওয়াশিংটন সফরের জন্য নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু মোদী প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। আসলে তিনি তখন চেয়েছিলেন, মোদীর সঙ্গে আসিম মুনীরকে বৈঠকে বসানোর। তবে ভারত বুঝতে পেরে সেই ফাঁদে পা দেয়নি।
এদিকে বাংলাদেশকে উপনিবেশ বানানোর ক্ষেত্রে অনেকটাই সফল আমেরিকা। ইউনূস সরকার একটু কাঠপুতুল ছাড়া আর কিছুই নয়। এই মুহূর্তে মার্কিন আদেশে চলছে বাংলাদেশ সরকার। এমনকি আদালত পর্যন্ত চলছে মার্কিন আদেশে। এইভাবে চলতে থাকলে শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়াতে আমেরিকার দাদাগিরি বাড়বে। বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
ওয়াকিবহাল মহল এবং সূত্র বলছে, এই সব নিয়েই পুতিনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে অজিত দোভাল এবং ফোনে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। জানা যাচ্ছে, এই মাসের ৩১ তারিখে চিন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংঘাই কো অপারেশন অর্গানাইজেশন সামিটে। যাবেন পুতিনও।সেখানে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
তবে অজিত দোভালের সঙ্গে পুতিনের কথা কি হয়েছে বা মোদীর সঙ্গেই বা কি কথা হয়েছে, সেটা জানা না গেলেও, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা হয়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, আমেরিকা জাকিয়ে বসার আগেই ইউনূসকে হটাতে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালাবে। সামনে থাকবে ভারত। পিছনে রাশিয়া। পরোক্ষে থাকবে চিন। এরা প্রত্যেকেই আমেরিকার বিরুদ্ধে। কূটনৈতিক চালের সামরিক অভিযান দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হবে। যাতে ইউনূস পদত্যাগ করেন। এরপর জরুরি অবস্থা জারি করা হবে দেশে। যার নেতৃত্ব দেবেন শেখ হাসিনা। এমন সম্ভাবনার কথাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থাৎ কূটনৈতিক ক্ষেত্রে আগামী মাসের মধ্যে বড় কিছু ঘটতে চলেছে বাংলাদেশে। সেটা স্পষ্ট হচ্ছে।












Discussion about this post