সেভেন সিস্টার্স এ সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর উলাফা আইয়ের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি এসেছে। সেখানে তারা বলছে, ভারতীয় সেনারা তাদের উপর ড্রোন স্ট্রাইক করেছে তাই নয়, তাদের দাবি মিসাইল স্ট্রাইক করা হয়েছে। এমনকি বলা হচ্ছে, ভারত ফাইটার জেট ব্যবহার করে। এবং সেটি নিয়ে মিসাইল স্ট্রাইক করে। এবং তাতে উলফা আইয়ের আরও দুজন মারা যান। তবে এ বিষয়টি নিয়ে স্বীকার করেনি ভারতীয় সেনা। কিন্তু যাদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে, তারা বিবৃতি বলছে, ভারতীয় সেনারা তাদের উপর ড্রোন অ্যাটাক করেছে। অর্থাৎ খেল খতম করতে নেমেছে ভারত। এতে অবশ্য ভয় পেয়েছে মহম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশ।
ভারতের সঙ্গে মায়ানমারের জুনতা সরকারের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক। এই ঘটনা নিয়ে ভারত বিবৃতি দিলে জুনটা সরকারকে ছোট করা হত। কারণ মায়ানমারের সরকার ভারতকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছে। অন্যদিকে উলফা আই যেটি মনে করা হয় চিন ও পাকিস্তানের মদতপুষ্ট একটি গোষ্ঠী, যা ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে অশান্ত করতে চাইছে। যেটা ইন্ডেনডেন্ট আসাম তৈরি করতে চাইছে। অর্থাৎ ভারত থেকে সেভেন সিস্টার্সকে আলাদা করতে চাইছে। কিন্তু এতদিন জুনতা সরকারের জন্য করতে পারেনি।
তবে যাদের উপর হামলা চালানো হল, তারা একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাদের যেখানে ৪০০ টি ক্যাম্প রয়েছে সেই ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় ভারতের ড্রোনের হামলায় সমস্ত চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এমনকি বলা হয়, ৩০০ ড্রোন হামলা করে ভারতীয় সেনা। এমনকি তাদের শীর্ষ নেতা জেনারেল নয়ন আসামের মৃত্যু ঘটেছে ড্রোন স্ট্রাইকে। এরপর তাদের শেষকৃত্যের সময় নাকি ফাইটার জেট নিয়ে মিসাইল স্ট্রাইক চালানো হয়। তাতে নাকি শীর্ষ দুই নেতা মারা গিয়েছেন। তাদের নাম উলফা আইয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। তারা হলেন গনেশ আসাম এবং কোলোলেন প্রদীপ অসম।
অন্যদিকে আসাম মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনার পুলিশ কি এটা করেছে? তিনি জানিয়েছেন কোনওভাবেই আসাম পুলিশ এর সঙ্গে জড়িত নয়। আসলে পরেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন উলফা আইয়ের একাধিক শিবিরে ড্রোন হামলা হতেই পাশাপাশি আরও একবার হামলা হতেই বিপদে পরে গিয়েছে তারা। এমনকি তাদের দাবি, এটা একদিন দুদিন নয় বহুদিন ধরেই হামলা চালানো হচ্ছে। তাতে প্রাণ গেল সেকেন্ড ইন কমেন্টসহ একাধিক জঙ্গি নেতার। আসলে কয়েক দশক ধরে ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কাজকর্মচারী এসেছিল তারা। শুধু তাই নয় এই সংগঠনের একটি অংশ ইতিমধ্যেই ভারত সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। কিন্তু আরেকটি অংশ তাদের নিজেদের বিচ্ছিন্নতাবাদী কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। আর তার নেতৃত্বেই ছিলেন পরেশ বড়ুয়া। তবে এই ঘটনার পর তাদের একাধিক ঘাটি যেমন ভারত ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে, তেমনই বাংলাদেশ যে ভয় পেয়েছে, সেটা স্পষ্ট। কারণ মোহাম্মদ ইউনূস এরপর দিন বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠীদের বাড়তে দিয়েছে। এবার বুঝতে পারছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।












Discussion about this post