দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অনেকদিন আগে থেকেই বদল হতে শুরু করেছে। এবার মাঝখানে পড়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে দেশকে বিপাকে ফেলতে সাহায্য করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যার মূলে রয়েছেন মুহাম্মদ ইউনূস। একদিকে চিন পাকিস্থানের সঙ্গে সখ্যতা বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করছে। ইতিহাস বলছে, এইভাবেই পাকিস্তান ধ্বংসের দিকে গিয়েছে। সাম্প্রতিককালে চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান নৌ বাহিনী জাহাজ পিএনএস সাইফ দেখা গিয়েছে। যদিও আইএসপিআরের তরফ থেকে বলা হয়েছে এটি একটি শুভেচ্ছা সফর। এর মধ্যে কিছুদিন আগেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ জেনারেল সাহির শামসাদ মির্জা ঢাকা সফর করে গিয়েছেন। অর্থাৎ পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সখ্যতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ। এই আবহে বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাকর্তা মেজর জেনারেল এ এল এম ফজলুর রহমান বলেছেন, ভারত যদি পাকিস্তানকে আক্রমণ করে তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাপ রাজ্য দখল করে নেওয়া উচিত বাংলাদেশের। এবং সেই জন্যই চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া। এই পরিস্থিতিতে ভারতের উদ্বেগ বাড়ায় স্বাভাবিক। এদিকে খবর, বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে শিলিগুড়ি গড়ে ধরে নতুন তিনটি সেনাঘাঁটি স্থাপন করেছে ভারত। একটি রয়েছে বামুনিতে, অন্যদিকে চোপড়া এবং কৃষাণগঞ্জে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা ঘাঁটি নয়, বরং কৌশলগত অবস্থান। ওই অঞ্চলে কাছাকাছিতেই রয়েছে ভারতের সব থেকে স্পর্শকাতর অঞ্চল চিকেন নেক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত তৎপর হতে বাধ্য হয়েছে। কারণ চিকেন নেকের কাছাকাছি বাংলাদেশের পরিত্যক্ত বিমান ঘাঁটি লালমনিরহাটকে চীনের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আর সেই কারণেই পাল্টা কৌশলগত চাপ সৃষ্টি করতে ভারতের এই পদক্ষেপ। এই লালমনিরহাট বিমানবন্দর ভারতের সীমান্ত থেকে মাত্র কুড়ি কিলোমিটার দূরে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই বিমান ঘাঁটি টি ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটি এখন চিনের সহায়তায় নতুন করে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনা প্রবন সম্পর্ক একেবারেই চায় না। এই পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post