ফের অশান্ত বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার গড় গোপালগঞ্জে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর ভাঙাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। এর জেরে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জারি করা হয়েছে কারফিউ। এই ঘটনায় এবার হুঙ্কার ছাড়লেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার যা আছে, তাই নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। মহম্মদ ইউনূসকে উৎখাত করতে অডিও বার্তা হাসিনার।
১৬ই জুলাই বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ প্রবল উত্তপ্ত হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় কর্মসূচি রাখে। সেখানে মঞ্চ বেধে সভা করে তারা। আর সেখানেই বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল ভেঙে ফেলার উদ্যোগ গ্রহণ করে ছাত্রনেতারা। কিন্তু আগেভাগেই খবর পেয়ে যায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তারা এবং গোপালগঞ্জের মানুষ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তাতেই চরম সংঘর্ষ তৈরি হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় প্রায় ৪ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন বহু মানুষ। যারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা বেশিরভাগ আওয়ামী লীগের কর্মী। বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল রক্ষা করা গেলেও রক্ত ঝরেছে বহু আওয়ামী লীগের। আর এতেই ক্ষোভে ফুসছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী। এবার হুঙ্কার ছাড়লেন তিনি। যার যা আছে, তাই নয় বেরিয়ে পড়ুন। অডিও বার্তাতে দূর্বৃত্তদের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর আহ্বান জানালেন শেখ হাসিনা।
এর আগে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছিল কট্টরপন্থী রা। তখনও চুপ ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, এটা বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ। তাই তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। এবার বলা হচ্ছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা নাকি শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশ করছিল। আর তাতে নাকি হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রশ্ন উঠছে, যেখানে শেষ মুজিবর রহমানের কবর ভাঙ্গার জন্য সমস্ত উদ্দ্যেগ গ্রহণ করা হয়, বুলডোজার সহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে আসা হয়, তখন কি করে বলা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি? এর পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর কবর ভাঙাতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা সহ সাধারণ মানুষও। বঙ্গবন্ধুর এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সাধারণ মানুষের আবেগকে মহম্মদ ইউনূস হামলা বলবেন? উঠে আসছে প্রশ্ন। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর কেন গুলি চালালো একটা বিক্ষোভকে আটকানোর জন্য, কার নির্দেশে গুলি চালিয়েছে, সেই নিয়েও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তার কারণ বাংলাদেশের বহু মানুষ সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রেখে চলে। এখন দেখার,শেখ হাসিনা শেষমেষ কোনও একশন নেন কিনা।












Discussion about this post