কাশ্মীরে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনার পর ভারতের পাশে রয়েছে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি। পাকিস্থানের বিপক্ষে বহু দেশ। কাশ্মীরের ঘটনার পর সবার আগে এসে বিবৃতি দিয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারা রাশিয়ানদের বলে দিয়েছে, যাতে পাকিস্থানে তারা না যায়। অর্থাৎ বয়কট করার দিকে এগোতে শুরু করেছে পুতিন। এর মধ্যেই সামনে এসেছে আরও একটি চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। রাশিয়াতে ক্রোকাস হামলার ঘটনায় যুক্ত মূল অভিযুক্ত জঙ্গি, যাকে পাকিস্তান দিনের পর দিন আশ্রয় দিয়েছে, তাকে হ্যান্ডওভারের নির্দেশ দিল রাশিয়া। তবে যে সময়টা পুতিন এই সিদ্ধান্ত নিল সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে সময় পাকিস্তান এবং ভারতের সংখ্যার চরমে, তখন রাশিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বুঝিয়ে দিল ভারতের পক্ষে রয়েছে তারা। ইতিমধ্যে খবর, রাশিয়া ভারতকে R 37 M মিসাইল অফার করেছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের কূটনৈতিক ক্ষেত্রের বিচরণ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
রাশিয়ার ক্রোকাস সিটি হলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আর সেখানে কয়েক বছর আগে জঙ্গি হামলা হয়। কার্যত হত্যালীলা চালানো হয়। এই ঘটনায় ১৪৫ জন রাশিয়ান মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চলে। কে বা কারা সেই আক্রমণ করল, সেই নিয়ে নানা স্তরে আলোচনা চলে। পরে অবশ্য জানা যায়, এই ঘটনার পিছনে একটি সংগঠন রয়েছে। যার নাম আফগান ব্রাঞ্চ অফ ইসলাম স্টেট ভিলাত খোরাসান। এই সংগঠনের মূল মাথা পাকিস্তানা আছে বলে মনে করা হচ্ছে। যাকে দিনের পর দিন নাকি পাকিস্তান প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে। এরপরে আফগানিস্তানে তালেবানদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাশিয়া। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, এই সংঘটনের মাথাকে তারা রাশিয়ার হাতে তুলে দিতে চায়, কিন্তু এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সে আত্মগোপন করে রয়েছে। আর এটা জানতেই, রাশিয়া পাকিস্তানকে করা বিবৃতি দেয়। পাকিস্তান বুঝে গিয়েছে, এই মুহূর্তে তাদের পাশে নেই কেউ। ফলে জানা যাচ্ছে, পাশে টানতে চীন এবং রাশিয়াকে চাইছে তারা। শুধু তাই নয়, রাশিয়া ভারতকে R 37 M মিসাইল অফার করেছে। অনেক আগেই রাশিয়া ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল এস ৪০০ ডিফেন্স সিস্টেম। এখন এই মিসাইল। অত্যাধুনিক একটি যুদ্ধাস্ত্র। এখন দেখার, রাশিয়ার কাছে এত বড় ধাক্কা খাওয়ার পর কি করে পাকিস্তান।












Discussion about this post