ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। পরিবর্তনের বাংলাদেশে বার্তা তারেকের।
বাংলাদেশ আস্থা রাখল ধানের শীষে। ১৭ বছর পর প্রত্যাবর্তন করে পরিবর্তন আনলেন তারেক রহমান। ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেল বাংলাদেশ। ২০ বছর পর বিএনপির প্রত্যাবর্তন ঘটল। জয়লাভ করেই দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা তারেক রহমানের। পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা নিয়েও তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য। কিন্তু শেখ হাসিনার বিষয়ে কি ভাবছেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী? তবে কি দেশের পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে তারেকের হাত ধরেই ফিরবেন শেখ হাসিনা।
২০২৪ সালের ৫ই অগাষ্ট। শেখ হাসিনা জমানার পতন ঘটে। বৈষম বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর ভারতে আশ্রয় নেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ৮ই অগাষ্ট মহম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে শপথ নেন। এরপরই বাংলাদেশে শুরু হয় নৈরাজ্য। খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি, অগ্নিসংযোগের ঘটনা অহরহ ঘটতে থাকে। ১৬ মাস পর নির্বাচন হল। জয়লাভ করল বিএনপি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ২০৯ টি আসনে জয়লাভ করল তারেক জিয়ার দল। জয়লাভ করার পরেই তারেক রহমানের মুখে ঐক্যের বার্তা। সঙ্গে বাংলাদেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি যেমন শান্তির বার্তা দিলেন। পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করা মূল কাজ হবে বলে জানান তারেক। তিনি বলেন, এই বিজয় গণতন্ত্রের। অনেকেই আশা করছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসেই দেশে ভেঙে পড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করবে। তবে প্রশ্ন একটাই, শেখ হাসিনাকে কি ফেরত চাইবে বিএনপি? অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একাধিকবার ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছে। ভারত প্রথম থেকে উত্তর না দিলেও কূটনৈতিক ভাষায় তার উত্তর দেয়। বুঝিয়ে দেয়, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থাৎ অস্থায়ী সরকারের হাতে ভারত কখনোই শেখ হাসিনাকে তুলে দেবে না। কিন্তু বিএনপি তো নির্বাচিত সরকার। এরপর ভারতের কাছে তারেক রহমান শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইলে কি উত্তর দেবে নয়া দিল্লি। শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রত্যক্ষনের প্রশ্ন করলে সাংবাদিকদের উত্তরে তারেক রহমান নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, এটা নির্ভর করছে আইনি প্রক্রিয়ার ওপর। অনেকেই বলছেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইলেও তার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে পুনঃ বিবেচনা করতে পারে বিএনপি। তবে এখন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের হাওয়া। উৎসবের মেজাজ। তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশ কতটা সুরক্ষিত থাকবে তা তো সময় বলবে।












Discussion about this post