বাংলাদেশের অন্দরে এখন একটা প্রশ্ন উঠছে। সেটা হল, মহম্মদ ইউনূস এত শক্তি পাচ্ছেন কোথা থেকে? অনেকে বলছে, আসলে মোহম্মদ ইউনূসের শক্তির উৎস ডিপ স্টেট। সেখান থেকেই তিনি শক্তি পাচ্ছেন। আসলে এর পিছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় খেলা রয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। শক্তিশালী দেশ হিসাবে যাতে যুক্তরাষ্ট্রকে কেউ টেক্কা দিতে না পারে, সেই কারণেই ঘুরপথে ভারতকে দমানোর চেষ্টা করছে তারা। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে ভারতও থেমে নেই। পাকিস্তানের পর বাংলাদেশের দিকে নজর দিয়েছে ভারত।
এদিকে বাংলাদেশকে চাপ দিতে ভারত উঠে পড়ে লেগেছে। আসলে ভারত আর কোনওভাবে বাংলাদেশকে রেয়াত করতে চায় না। চিকেন নেক নিয়ে ভারত যে যে পদক্ষেপ করেছে, তাতে ভয় পাচ্ছে বাংলাদেশ। এদিকে সম্প্রতি রাজ্যে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি একদিকে যেমন জিডিপির সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তেমন বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তেমন বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশের সুরক্ষা স্বার্থে, এমনটাই খবর। তবে এবার শুধু পুলিস বা বিএসএফ নয়, তাদের সঙ্গে সমস্ত সীমান্ত জুড়ে করা হবে ইলেকট্রিক ওয়ার সিস্টেম। নিরাপত্তা উন্নত করতে, অনুপ্রবেশ কমাতে পাকিস্তান,বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের সীমান্তে বৈদ্যুতিক বেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কম্প্রিহেনসিভ ইন্ট্রিগ্রুটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মতো প্রকল্প নিচ্ছে ভারত। যাতে কোনওরকমভাবে অনুপ্রবেশ বা বর্ডার এরিয়াতে কোনও আপত্তিজনক কিছু না ঘটে। এছাড়াও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। সেটা হল 4000 কিলোমিটার জুড়ে যে রাজ্যগুলি ছিল তাতে রাজ্য সড়কের আওতাধীন ছিল। রাস্তাগুলি পূর্ত দফতরের আওতাধীন ছিল। কিন্তু এই রস্তাগুলিকে নিয়ে নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। যেগুলিকে চার লেনের রাস্তা করা হবে বলে খবর। এমনকি সেগুলি চিকেন নেক থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত যাবে বলে খবর। এগুলি সবই করা হচ্ছে, বাংলাদেশের দিকে নজর রেখে।
শুধু তাই নয়, ভারতের পুশ ব্যাক নিয়ে হার স্বীকার করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন, এই ইস্যুতে অন্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করবে বাংলাদেশ। এমনকি বাংলাদেশের তরফে ভারতকে চিঠি দেওয়া হবে। অর্থাৎ অনুপ্রবেশ বা অবৈধকারী বাংলাদেশীদের নিয়ে ভারত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে চাপে ইউনূসের দেশ। এদিকে পাকিস্তানে নিউক্লিয়ার ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেকোনও মুহূর্তে একশন নিতে পারে ওই দেশের বিরুদ্ধে বলে খবর। তার কারণ করাচিতে ভূমিকম্প হয়েছে, যা রিখটার স্কেলের মাত্রা ৩ দশমিক ২। ফলে পাকিস্তান এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের কি পরিস্থিতি হয়, সেটাই দেখার।












Discussion about this post