বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস প্রাণের আশঙ্কা করছেন। তিনি মনে করছেন, যে কোনও সময় তিনি খুন হতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে কোনও পথ খুঁজে না পেয়ে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত ভারতের হাইকমিশনার প্রনয় ভার্মার সঙ্গে যোগাযোগ করে সেফ এক্সিট খুজছেন। তবে কি এমার্জেন্সির পথে বাংলাদেশ? জানা যাচ্ছে, সেখানে ভারত তিনটি শর্ত দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রণয় ভার্মার মাধ্যমে ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহনের সঙ্গে কথা বলেন মহম্মুদ ইউনূস।
সম্প্রতি বাংলদেশে বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান সাক্ষাৎ করেছেন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে। অন্যদিকে মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেছেন সেনাপ্রধান। এমনকি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন। অন্যদিকে জানা যায়, ইউনূসের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে তোপ দেগে এসেছে এনসিপি এবং জামাত। তাদের নিশানায় জাতীয় পার্টি। নির্বাচন কতটা সুষ্ঠুভাবে হবে তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জামাত। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মুহূর্তে মহম্মদ ইউনূস পড়েছেন মহা ফাঁপরে। এই পরিস্থিতিতে তিনি নাকি প্রনয় ভার্মাকে ফোন করেছিলেন।
আসলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলেও তিনি বিপদে পড়বেন। কারণ কোনওমতেই জামাত এবং এনসিপি চায় না ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হোক। তারা আগে সংস্কার চাইছে। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলেও বিপদে পড়বেন। এর কারণ বিএনপিও চায় নির্বাচন। শুধু তাই নয়, বহিঃবিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশও চাইছে দ্রুত নির্বেচন হোক। ফলে গুরুতর সমস্যায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মুদ ইউনূস। কোনও কিছু কূল না পেয়েই ভারতের দ্বারস্থ ইউনূস। ভারত নাকি তিনটি শর্ত দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। একটি হল, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে যারা রয়েছে, তাদের নিশর্তভবে মুক্তি দিতে হবে। এমনকি হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুকেও। দ্বিতীয়ত, শান্তিপূর্ণভাবে ইউনূসকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তৃতীয়ত, ভারতের সঙ্গে টার্মিনাল হয়ে যেকোনও জায়গায় যেতে পারেন ইউনূস। তবে একা। কিন্তু ভারতে থাকা চলবে না। এই তিনটি শর্ত নাকি দেওয়া হয়েছে ভারতের তরফে।
কেউ কেউ বলছেন, মহম্মুদ ইউনূসের পালানোর পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বুঝেছেন। যে ছাত্রনেতারা তাকে মসনদে বসিয়েছিল, এখন তারা ইউনূসকে চাইছেন না। ফলে তিনি দ্রুত নির্বাচন করিয়ে, ক্ষমতা হস্তান্তর করে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এখন যে পরিস্থিতি, তাতে নির্বাচন দিলেও তিনি বিপদে পডডবেন। এমনকি নির্বাচন না দিলেও বিপদে পড়বেন। আসলে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে অনেকগুলি শক্তি মাথাচারা দিয়ে উঠেছে। তাদের প্রত্যেকের উদ্দেশ্য প্রায় এক। ক্ষমতার অলিন্দে থাকা। কারও আবার, ক্ষমতায় যে বা যারা থাকবেন, তাদের সঙ্গে সখ্যতা বজায়র রাখা। ফলে বাংলাদেশে এখন জটিল পরিস্থিতি। তারমধ্যে নিজের প্রাণভয়ের আশঙ্কা করছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মুদ ইউনূস। এখন দেখার, সূত্র মারফত খবর অনুযায়ী ভারতের দেওয়া শর্ত মেনে আদেও ইউনূস বাঁচতে পারেন কিনা।












Discussion about this post